৪ মে ২০২৬

যতক্ষণ না ক্ষমা চাইবেন বয়কট কঙ্গনা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
যতক্ষণ না ক্ষমা চাইবেন বয়কট কঙ্গনা

বিনোদন ডেস্ক : বিতর্ক থেকে তিনি দূরে থাকতে পারেন না। তাঁর নতুন ছবি ‘জাজমেন্টাল হ্যায় কেয়া’র একটি গান লঞ্চের অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিকের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন কঙ্গনা রানাউত। কথা কাটাকাটি এত দূর গড়ায় যে, মুম্বইয়ের এন্টারটেনমেন্ট জার্নালিস্টস গিল্ড অব ইন্ডিয়ার দশ জন সিনিয়র সাংবাদিকের একটি দল মঙ্গলবার একতা কপূরের অফিসে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের দাবি, একতা ও তাঁর প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে কঙ্গনার আচরণের নিন্দে করে লিখিত বয়ান দিতে হবে। সেই দাবি মেনে নিলেন একতা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একতা লেখেন, ‘যদিও নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে কথা কাটাকাটি করেছেন দু’জন। কিন্তু ঘটনাটা ঘটেছে আমাদের ছবির প্রচার অনুষ্ঠানে। ফলে প্রযোজক হিসেবে ওই অবাঞ্ছিত ঘটনার জন্য আমরা ক্ষমা চাইছি।’

কঙ্গনার ওই কীর্তির সময়ে মঞ্চে একতা উপস্থিত ছিলেন বলেই, সাংবাদিকরা তাঁর কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। তবে কঙ্গনা কী করবেন, তার দায় নিতে চাননি একতা। যদিও সোশ্যাল ওয়ালে মঙ্গলবার কঙ্গনার বোন রঙ্গোলি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কঙ্গনা ক্ষমা চাইবেন না।

এই পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের যৌথ সিদ্ধান্ত, আগামী ছবির জন্য কোনও প্রচার কঙ্গনাকে দেওয়া হবে না। কোনও অনুষ্ঠানে কঙ্গনা এলে, ইভেন্ট শুরু হওয়ার আগেই তাঁকে সেই জায়গা ছেড়ে চলে যেতে হবে।

কঙ্গনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বাদানুবাদের ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই ভাইরাল। দেখা যাচ্ছে, সাংবাদিককে প্রশ্ন শেষ করার সুযোগ না দিয়ে কঙ্গনা তাঁকে বিশ্রী ভাষায় আক্রমণ করছেন। তাঁর রাগের কারণ, ওই সাংবাদিক কেন তাঁর ছবি ‘মণিকর্ণিকা’র খারাপ রিভিউ করেছেন? তাঁর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ক্যাম্পেন করছেন বলেও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন কঙ্গনা।

বছর পাঁচেক আগে এক চিত্রসাংবাদিকের সঙ্গে সলমন খানের নিরাপত্তারক্ষীদের কথা কাটাকাটির পরে পরিস্থিতি গম্ভীর হয়ে ওঠে। ‘দ্য বম্বে নিউজ ফোটোগ্রাফার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়, কোনও অনুষ্ঠানে সলমনের ছবি তোলা হবে না। যদিও সলমন সে সবের তোয়াক্কা করেননি। কঙ্গনা এ বার কী করেন, সেটাই দেখার।

বিপি/আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি