৪ মে ২০২৬

অনন্যার অতীত পেছনে, নতুন সম্পর্কে আদিত্য

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ১১:৩৫ পিএম
অনন্যার অতীত পেছনে, নতুন সম্পর্কে আদিত্য

বলিউড অভিনেতা আদিত্য ও অভিনেত্রী অনন্যা পান্ডে।

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   বলিপাড়ায় সম্পর্কের ভাঙা-গড়া লেগেই থাকে। কিন্তু যখন অভিনেতা আদিত্য রায় কাপুর আর তারা সুতারিয়ার মতো দুই ‘সিঙ্গেল’ হার্টথ্রবের নাম একসঙ্গে জড়িয়ে যায়, তখন গুঞ্জন থামানো কঠিন হয়ে পড়ে। 

ফিল্মফেয়ারের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বি-টাউনের নতুন ‘পাওয়ার কাপল’ হতে চলেছেন আদিত্য ও তারা সুতারিয়া। আর সেই খবর ঘিরেই এখন সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে শুরু হয়েছে তোলপাড়। বছর দুয়েক ধরে চুটিয়ে প্রেম করার পর গত ২০২৪ সালের এপ্রিলেই অনন্যা পান্ডে আর আদিত্যের সম্পর্কে ইতি পড়েছিল। 

অনন্যার ‘ক্রিপ্টিক’ সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট বা ট্র্যাভেল ছবি—সবকিছুতেই ফুটে উঠেছিল বিচ্ছেদের যন্ত্রণা। পরে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে অনন্যা পান্ডে জানিয়েছিলেন—পুরোনো সম্পর্কের মায়া কাটিয়ে তিনি এখন নিজের কাজ আর পোষ্যকে নিয়েই ব্যস্ত। যদিও আদিত্য এই বিচ্ছেদ নিয়ে বরাবরই মৌনব্রত পালন করেছেন। তবে তার ‘সিঙ্গেল’ স্ট্যাটাস নিয়ে জল্পনার শেষ ছিল না।

এর আগে বীর পাহাড়িয়ার সঙ্গে তারা সুতারিয়ার প্রেম নিয়ে একসময় উত্তাল ছিল বলিপাড়া। কিন্তু চলতি বছরের শুরুতেই সেই সম্পর্কেও ভাঙন ধরে। জানা গেছে, এপি ধিলোর কনসার্টে তারার পারফরম্যান্স ও ঘনিষ্ঠতা নিয়ে বীরের সঙ্গে তার মনোমালিন্য শুরু হয়। যদিও তারা সেই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক রিপোর্ট বলছে, বীর এখন তারার জীবনে ‘সাবেক’।

এদিকে মুম্বাইয়ের বিভিন্ন পার্টি থেকে শুরু করে ঘরোয়া আড্ডা— ইদানীং প্রায়ই আদিত্য ও তারাকে একসঙ্গে দেখা গেছে। ‘ফিল্মফেয়ার’ দাবি করেছে, তাদের ঘনিষ্ঠ মহলের মতে দুজনে একে অপরের সান্নিধ্য বেশ উপভোগ করছেন। আদিত্যর মার্জিত স্বভাব আর তারার গ্ল্যামারাস উপস্থিতি— নেটিজেনরা ইতোমধ্যে তাদের জুটিকে ‘পারফেক্ট’ তকমা দিয়েছেন।

যদিও এ দুই তারকা এখনো মুখে কুলুপ এঁটেছেন চর্চিত প্রেম নিয়ে, কিন্তু ওই যে কথায় আছে— যা রটে তার কিছু তো বটে। তবে অনন্যা পান্ডে আর বীর পাহাড়িয়ার অধ্যায়ের যে নতুন শুরু তা তাদের ঘনঘন একসঙ্গে উপস্থিতিই বলে দিচ্ছে। সূত্র: যুগান্তর
বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি