৪ মে ২০২৬

আদালতের মুখোমুখি আবারও ব্রিটনি স্পিয়ার্স

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
আদালতের মুখোমুখি আবারও ব্রিটনি স্পিয়ার্স

সংগৃহীত ছবি

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   আবারও আইনি জটিলতায় জড়ালেন বিশ্বখ্যাত মার্কিন পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স। চলতি বছরের মার্চ মাসে গ্রেপ্তারের পর এবার তাঁর বিরুদ্ধে অ্যালকোহল ও মাদক সেবন করে গাড়ি চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভেনচুরা কাউন্টির প্রসিকিউটররা জানিয়েছেন, একটি চুক্তির মাধ্যমে স্পিয়ার্স জেল এড়াতে পারেন। সে ক্ষেত্রে তাঁকে প্রবেশন, নির্দিষ্ট কোর্সে অংশগ্রহণ এবং জরিমানা দিতে হবে।

তবে এই প্রস্তাবে তিনি রাজি নন বলেই জানা গেছে।

কর্মকর্তাদের মতে, ৪৪ বছর বয়সী এই গায়িকাকে মার্চের শুরুতে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। যদিও অভিযোগে ঠিক কোন ধরনের পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছিল, তা নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি।

আগামী ৪ মে ভেনচুরা কাউন্টির একটি আদালতে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে স্পিয়ার্সের।

তবে তিনি চাইলে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত না থেকেও তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন।

প্রসিকিউটরদের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের চুক্তি সাধারণত তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পূর্বে গুরুতর অপরাধের রেকর্ড থাকে না, কোনো শারীরিক ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রাও তুলনামূলকভাবে কম থাকে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নিতে রাজি থাকলে তা বিবেচনায় নেওয়া হয়।

চুক্তিটি গ্রহণ করা হলে, স্পিয়ার্স সম্ভবত মাদক বা অ্যালকোহল সেবনের প্রভাবে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর অভিযোগে দোষ স্বীকার করবেন।

সে ক্ষেত্রে তাঁকে ১২ মাসের প্রবেশনে রাখা হবে, আদালত-নির্দেশিত ড্রাইভার সেফটি কোর্সে অংশ নিতে হবে এবং জরিমানা দিতে হবে।

১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে ‘বেবি ওয়ান মোর টাইম’ এর মতো হিট গানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। তিনি দ্রুতই তাঁর প্রজন্মের অন্যতম প্রভাবশালী পপ শিল্পীতে পরিণত হন।

২০০৭ সালে ব্যক্তিগত জীবনের সংকটের কারণে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এরপর তাঁর বাবা জেমি স্পিয়ার্সের তত্ত্বাবধানে দীর্ঘদিন তাঁর ব্যক্তিগত ও আর্থিক বিষয় পরিচালিত হয়।

পরে জনসমর্থন ও ‘ফ্রি ব্রিটনি’ আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ২০২১ সালে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি আদালত সেই অভিভাবকত্ব বাতিল করে দেয়।

২০২৩ সালে প্রকাশিত তাঁর আত্মজীবনী ‘দ্য ওম্যান ইন মি’-এ স্পিয়ার্স দাবি করেন, তিনি কঠিন মাদক সেবন করতেন না এবং তাঁর মদ্যপানের সমস্যাও ছিল না। তবে অ্যাডারল ব্যবহারের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। সূত্র:  কালের কণ্ঠ
বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি