৫ মে ২০২৬

ঠোঁটটা মুখে ঢুকিয়ে নিয়েছিল, প্রথম চুমু নিয়ে মুখ খুললেন কঙ্গনা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
ঠোঁটটা মুখে ঢুকিয়ে নিয়েছিল, প্রথম চুমু নিয়ে মুখ খুললেন কঙ্গনা

বিনোদন ডেস্ক: অভিনয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করলেও বিতর্ক পিছু ছাড়ে না কঙ্গনা রানাউতের। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমে নিজের প্রথম প্রেমের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন বলিউডের কুইন। তবে সেই অভিজ্ঞতা যে মোটেই মধুর নয়, তাও নির্দ্বিধায় জানিয়েছেন তিনি।

কঙ্গনা বলেছেন, প্রথম চুম্বন মোটেই স্বর্গীয় ছিল না। বরং পুরো বিষয়টাই যেন অগোছালো ছিল। ১৭-১৮ বছর বয়সে আমি প্রথম সম্পর্কে যাই। আমি তখন চণ্ডীগড়ে থাকতাম। আমার এক বন্ধু ডেটে গিয়েছিল। ওর প্রেমিকের বন্ধুর সঙ্গে আমি সম্পর্কে যাই। সেই কিউট পঞ্জাবি পুরুষের বয়স তখন ২৮।

কিন্তু সেই প্রেমের শেষটা মোটেই সুখের ছিল না কঙ্গনার জন্য। মন ভেঙেছিল কঙ্গনার। তিনি বলছেন, ও আমার দিকে তাকিয়ে বলেছিল, তুমি তো বাচ্চা। ও বুঝেছিল এই খেলাটায় আমি নতুন। আমার মন ভেঙেছিল। তখন আমি তাকে সত্যিই অনেক ভালবেসে ফেলেছিলাম। আমি ওকে মেসেজ করতাম, আমায় একটা সুযোগ দাও। আমি বড় হয়ে যাব।

প্রথন চুম্বনের অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে কঙ্গনা বলেন, আমি তখন চুম্বনও করতে পারতাম না। আমার নিজের হাতে চুমু খাওয়া অভ্যাস করেছিলাম। তাই প্রথম চুম্বন মোটেও দারুণ ছিল না। বরং অগোছালো ছিল। সে আমার ঠোঁটটা মুখে ঢুকিয়ে নিয়েছিল, দমবন্ধ অবস্থা হয়েছিলো আমার। আমার মুখটাই জমে গিয়েছিল।

শুধু প্রথম প্রেমই নয়। প্রথম ক্রাশের কথাও বলেন কঙ্গনা। রিভলভার রানির প্রথম ক্রাশ ছিলেন তারই এক শিক্ষক। তিনি বলছেন, প্রথম এক শিক্ষকের প্রেমে পড়েছিলাম। ১৫-১৬ বছর বয়সে ছেলেদের সেভাবে গোঁফও ওঠে না। তাই আমার এক শিক্ষককেই ভালো লেগেছিল। আমি তখন নবম শ্রেণিতে পড়ি। তখন চাঁদ ছুপা বাদল মে গানটি বেরিয়ছিল। আমি একটা ওড়না নিয়ে নাচতাম আর ওনার কথা ভাবতাম।

কঙ্গনার ছোটবেলার এমন প্রেমের গল্প মোটামুটি সকলেরই চেনা। কিশোর বয়সে এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়ে থাকে। তবে কঙ্গনা এই মুহূর্তে কোনো সম্পর্কে নেই বলেই দাবি করেন।

প্রসঙ্গত, ‘জাজমেন্টাল হ্যায় কেয়া’ ছবিতে কঙ্গনাকে শেষ দেখা যায়। এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন রাজকুমার রাও।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি