পপগুরু আজম খানকে নিয়ে মাকসুদের বই
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বীর মুক্তিযোদ্ধা আজম খান। যাকে শুরু থেকে এখনো সর্বস্তরের সংগীতমুখো মানুষ বিনম্র চিত্তে ‘পপগুরু’ বলে মানেন, ‘পপসম্রাট’ বলে দাবি করেন দ্যর্থহীন কণ্ঠে। এই ‘পপসম্রাট’কে নিয়ে এবার বই লিখেছেন বাংলা রকের আরেক কিংবদন্তি মাকসুদুল হক। ২০১০ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হন। ২০১১ সালের ৫ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এই পপসম্রাট। তাকে সমাহিত করা হয় মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। প্রিয় এই মানুষের চলে যাওয়া ভীষণভাবে আঘাত হানে মাকসুদুল হকের মনে।
তারপর মাকসুদুল হক একটি ইংরেজি দৈনিকে আজম খানকে নিয়ে লেখেন তিনি। সেই লেখাগুলো নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে ‘হিস্ট্রি অব বাংলাদেশ রক : দ্য লিগেসি অব আজম খান’ শিরোনামে বই। ‘বাংলাদেশের রকগাথা : আজম খানের উত্তরাধিকার’ নামে বইটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন কবি ও অনুবাদক তানভীর হোসেন।
মাকসুদুল হক বলেন, আজম খান বাংলাদেশের এমন সম্পদ ছিলেন যার কোনো তুলনা হতে পারে না। তার জীবন এতো সহজে অগ্রন্থিত থেকে যেতে পারে না। যতদিন বেঁচে থাকবো তার সঙ্গে আমার স্মৃতিগুলো কখনোই ভোলা সম্ভব নয়। ফলে তার মৃত্যুর পর আমি তার সম্পর্কে আমার চিন্তা-ভাবনাগুলো লিপিবদ্ধ করতে উদগ্রীব হয়ে উঠি।
বইটির প্রচ্ছদ করেছেন রাজীব দত্ত। এটি ইমতিয়াজ আলম বেগের ফটোগ্রাফ নিয়ে এটি করা হয়েছে। মূল লেখা ও অনুবাদ দুটিকেই একসঙ্গে করে বইটি প্রকাশ করছে বুকিশ। অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রথম সপ্তাহ থেকে চন্দ্রবিন্দু প্রকাশনের (বুকিশ পাবলিকেশন্সের পরিবেশক) স্টলে পাওয়া যাবে এ বইটি।
আজম খানের জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে- ‘আমি যারে চাইরে’, ‘রেললাইনের ওই বস্তিতে’, ‘ওরে সালেকা ওরে মালেকা’, ‘আলাল ও দুলাল’, ‘একসিডেন্ট’, ‘অনামিকা’, ‘অভিমানী’, ‘আসি আসি বলে’, ‘হাইকোর্টের মাজারে’, ‘পাপড়ি’, ‘বাধা দিও না’, ‘যে মেয়ে চোখে দেখে না’ ইত্যাদি।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি