৫ মে ২০২৬

কঙ্গনাকে থাপ্পড় মারা নারী কনস্টেবলের জন্য পুরস্কার ঘোষণা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
কঙ্গনাকে থাপ্পড় মারা নারী কনস্টেবলের জন্য পুরস্কার ঘোষণা
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতকে চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে থাপ্পড় মারার ঘটনায় ভারতের কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনীর (সিআইএসএফ) সদস্য কুলবিন্দর কৌরের জন্য এক লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছেন পাঞ্জাবের এক ব্যবসায়ী। বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করা সিআইএসএফ’র কনস্টেবল কুলবিন্দর কৌরের এমন কাজের অভিবাদন জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন শিবরাজ সিং বেইনস নামের এই ব্যবসায়ী। এতে তিনি পাঞ্জাবের জনগণ ও পাঞ্জাবের সংস্কৃতি রক্ষার জন্য কৌরকে অভিবাদন জানিয়েছেন। কঙ্গনা রানাওয়াত এবার বিজেপি প্রার্থী হিসেবে হিমাচল প্রদেশের মান্দি আসন থেকে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার দুই দিন পর বৃহস্পতিবার বিকেলে দিল্লি আসার পথে চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে অনাকাঙ্ক্ষিত ওই পরিস্থিতির মুখোমুখি হন কঙ্গনা। এ ঘটনার পর এক ভিডিও বার্তায় কঙ্গনা বলেন, তিনি সংবাদমাধ্যম ও শুভানুধ্যায়ীদের অনেকের কাছ থেকে প্রচুর ফোন পাচ্ছেন। ওই নারী কনস্টেবল আমার দিকে এগিয়ে এসে মুখে আঘাত করেন এবং আমাকে নিপীড়ন করতে শুরু করেন। কারণ জিজ্ঞাসা করতে তিনি (নারী কনস্টেবল) বলেন, যে তিনি কৃষক আন্দোলন সমর্থন করেন।’ কঙ্গনা আরও বলেন, ‘আমি নিরাপদ আছি। কিন্তু আমি উদ্বিগ্ন যে পাঞ্জাবে সন্ত্রাস বাড়ছে...কীভাবে আমরা এটা সামলাব?’ কঙ্গনাকে হেনস্থা করার বিষয়ে ওই নারী কনস্টেবল বলেন, ‘কঙ্গনা বলেছিলেন যে কৃষকেরা দিল্লিতে বিক্ষোভ করছেন; কারণ, তাদের ১০০ বা ২০০ রুপি করে দেওয়া হয়েছিল। সেই বিক্ষোভকারীদের একজন ছিলেন আমার মা। এজন্য মায়ের সম্মান রক্ষায় সে এমন কাজ করেছে।’ এদিকে কঙ্গনাকে থাপ্পড়ের ঘটনায় কুলবিন্দর কৌরকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একটি মামলাও দায়ের হয়েছে। বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করা সিআইএসএফ এ ঘটনা তদন্তেরও পদক্ষেপ নিয়েছে। কুলবিন্দরের বিরুদ্ধে এসব ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে তার পক্ষে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন এই নিরাপত্তাকর্মীর ভাই শের সিং মহীভাল। যিনি নিজে কৃষক আন্দোলনের একজন সংগঠক। বিপি/টিআই
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি