৪ মে ২০২৬

ছেলে জয়কে নিয়ে অপুর চাওয়া

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
ছেলে জয়কে নিয়ে অপুর চাওয়া

বিনোদন ডেস্ক: ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। আর এই নায়িকার এক মাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়। যিনি কিনা ইতো মধ্যে স্টার কিড হিসেবেই সবার কাছে সুপরিচিত। এক মাত্র ছেলেকে নিয়ে অপু ভাবনা ভিন্ন। ছেলে জয়কে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজার মতো গড়ে তুলতে চায়।

গত ৩০ মে থেকে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ১২তম আসর। সারা বিশ্ব আজ এই ক্রিকেট উম্মাদনা ভাবসছে। বিশ্বের ১০টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেট বিশ্ব কাপ। অন্যান্য দেশের মত সেই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশেরও নাম। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ম্যাচে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছেন টাইগাররা।

অপু বিশ্বাস বলেন, আমি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ টিমের প্রতিটা ম্যাচ দেখেছি। তারা তাদের সর্বোচ্চটুকু দিয়েছে। ‘আইকন, আইডল বলতে যদি কোনো খেলোয়াড়ের কথা বা ব্যক্তি মানুষের কথা বলা হয় তাহলে তিনি হলেন আমাদের মাশরাফি ভাই। নড়াইলে একবার অনুষ্ঠান করার সুযোগ হয়েছিলো। অনুষ্ঠানটা তারই ছিল। সেদিন মঞ্চে মাশরাফি ভাই আমার হাতে মাইক্রোফোন দিয়েছিলেন। আমি বলেছিলাম-আমি আজকে একজন পরিপূর্ণ মা। আমি জন্ম দিয়েছি আব্রাহাম খান জয়কে। আমি চাই জয়ের নামের সঙ্গে আরেকটি নাম যুক্ত হোক। বড় হয়ে মানবিকতায় সে যেন মাশরাফি ভাইয়ের মতো হয়। আমি মাশরাফি ভাইকে এতোটাই পছন্দ করি! তার পরিবারের সঙ্গেও আমার আত্মীক সম্পর্ক রয়েছে।

বাংলাদেশ দলের খেলা কখনও মিস করেন না উল্লেখ করে অপু বলেন, ‘বাংলাদেশ দলে যারা আছেন তারা এতো সুন্দরভাবে দেশকে প্রেজেন্ট করছেন যে দেখলে মন ভরে যায়। তারা সবাই আমাদেরই ভাই। এজন্য তাদের স্যালুট। নিজের এলাকার লোকজনের প্রতি আত্মার টান একটু বেশিই থাকে। সেই জায়গা থেকে বাংলাদেশ টিমে একজন আছেন যাকে ভালো লাগে। কারণ তিনি আমাদের বগুড়ার সন্তান। তিনি মুশফিক ভাই। আমি যে স্কুলে পড়েছি, তার সামনের স্কুলে তিনিও পড়েছেন। ঐ জায়গা থেকে বিশেষ একটা টান তার প্রতি আছে।’

এদিকে অপু বিশ্বাস অভিনীত দেবা বিশ্বাসের পরিচালনায় ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ টু’ ছবিটি মুক্তি অপেক্ষায় আছে। ছবিতে অপু বিশ্বাসের সাথে জুটি বেঁধেছেন নায়ক বাপ্পি চৌধুরী।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি