৪ মে ২০২৬

বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন মাহি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৫, ১২:১১ পিএম
বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন মাহি

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   ঢালিউড অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ রাকিব সরকারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এটি তাদের দ্বিতীয় বিয়ে। দেড়ে বছরের মাথায় অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছিলেন স্বামী রাকিব সরকারের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়েছে। 

সামাজিক মাধ্যমে এক ভিডিওবার্তায় রাকিবের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন তিনি। এরপর থেকে দুজনকে আর একসঙ্গে দেখা যায়নি। মাহি ব্যস্ত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে, আর রাকিব সরকারের অবস্থানও ছিল রহস্যে ঢাকা। অবশেষে মাহি বললেন, রাগের মাথায় ডিভোর্সের কথা বলেছিলেন, বাস্তবে বিচ্ছেদ হয়নি।

সেই বিচ্ছেদের খবর ছড়ানোর সময়ও রাকিবের প্রশংসা করেছিলেন মাহি। তিনি বলেছিলেন, ‘রাকিব মানুষটা অনেক ভালো, পরোপকারী। কিন্তু আমাদের চিন্তাভাবনা আলাদা।’ তবে এখন মাহির বক্তব্য একেবারে ভিন্ন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, আমি রাগের মাথায় ডিভোর্সের কথা বলেছিলাম। আসলে আমাদের ডিভোর্স হয়নি,এখনো নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে।

হঠাৎ পুরোনো একটি ছবি পোস্ট করে দুজনকে একসঙ্গে দেখা গেল কেন?এমন প্রশ্নের উত্তরে মাহি বলেন, ছবিটি আমরা ভারতে তুলেছিলাম, তখন প্রকাশ করা হয়নি। এখন উইকিপিডিয়ায় ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে যে আমাদের ডিভোর্স হয়ে গেছে। তাই বিষয়টি পরিষ্কার করতে ছবিটি পোস্ট করেছি। আমাদের পাসপোর্টেও লেখা আছে ‘ম্যারিড’— স্বামীর নাম রাকিব সরকার।

ডিভোর্স নিয়ে মাহির পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে ভক্ত-অনুরাগীরাও। এক নেটিজেন বলেছেন—মাহি হয়তো যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্বের কোনো বিশেষ প্রক্রিয়ার কারণে এমন কৌশল নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহিয়া মাহি। জমকালো আয়োজনে সেই বিয়ে টিকেছিল পাঁচ বছর। এরপর ২০২১ সালে রাজনীতিক রাকিব সরকারকে বিয়ে করেন তিনি। তবে ২০২৩ সালের মাঝামাঝি হঠাৎই মাহি বলেন, রাকিবের সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা দুজনই চেষ্টা করেছি। কিন্তু যখন দেখেছি কিছুতেই মিল হচ্ছে না, তখন আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিই। রাকিব ফারিশের বাবা, তাই যোগাযোগ আছে। সে একজন কেয়ারিং বাবা।


বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি