৫ মে ২০২৬

বাংলাদেশে এসে গরুর মাংস রান্না, বিপাকে কলকাতার অভিনেত্রী

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
বাংলাদেশে এসে গরুর মাংস রান্না, বিপাকে কলকাতার অভিনেত্রী
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে জনপ্রিয় রান্নার অনুষ্ঠান ‘জি বাংলার রান্নাঘর’। এর সঞ্চালনায় ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি একটি রান্নার অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে বাংলাদেশে এসেছিলেন তিনি। ‘রাঁধুনী এপার ওপারের রান্না’ নামের শোতে অভিনেত্রী তারিন জাহানের সঙ্গে দেখা গেছে কলকাতার এই অভিনেত্রীকে। সেই অনুষ্ঠানে তারিন রান্না করেন গরুর মাংসের কোফতা। আর তার সঙ্গেই ছিলেন ওপার বাংলার এই অভিনেত্রী। এরপরই পশ্চিমবঙ্গের নেটিজেনদের রোষানলে পড়েছেন সুদীপা। একজন হিন্দু হয়ে গরুর মাংস রান্না হচ্ছে এমন একটি শো প্রচার করায় অনবরত হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে সুদীপাকে। এমনকি তার পাঁচ বছরের ছেলে আদিদেব চট্টোপাধ্যায়কে অপহরণ করার হুমকিও এসেছে। এ প্রসঙ্গে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সুদীপা বলেন, ‘আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে বারবার। যারা এটা নিয়ে ট্রোল করছেন, তাদের মধ্যে সিংহভাগ মানুষ সেই ভিডিওটা দেখেননি, আমি নিশ্চিত। আমি গরুর মাংস খাওয়া তো দূর, রান্নাও করিনি। এমনকি ছুঁইয়েও দেখিনি। আরেকটা বিষয়, তারিন জাহান নিজে রান্নাটা করেছেন। ভিডিওগুলো এখনও অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে। যে কেউ চাইলে দেখে নিতে পারেন। কোথাও দেখতে পাবেন না যে আমি গরুর মাংস স্পর্শ পর্যন্ত করেছি। এদিকে, ছোটপর্দা থেকে মাস খানিক আগেই বিরতি নিয়েছেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। তার জনপ্রিয় রান্নার শো শেষ হওয়ার পর দীর্ঘ বিরতি নিয়ে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শুরু করেছেন নিজস্ব কুকিং শো। সেখানে এপার ওপার বাংলার খাবারের স্বাদ ও রান্নার পদ্ধতি তুলে ধরেন তিনি। আর সেই সূত্রেই ঈদুল আজহার আগে বাংলাদেশে এসেছিলেন। আর তখনই ঈদ স্পেশাল রান্নার অনুষ্ঠানে দেখা যায় তাকে। তবে ‘রাঁধুনী এপার ওপারের রান্না’ ইউটিউব চ্যানেলে পুরো এপিসোডটি রয়েছে। সেখানে সুদীপা নিজের হাতে বানান কলকাতার স্টাইল গন্ধরাজ শামি কাবাব। সেখানে তিনি খাসির মাংসই ব্যবহার করেন। পুরো পর্বে একবারও সুদীপাকে কোথাও গরুর মাংসের কোফতা মুখে দিতে দেখা যায়নি। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি