৭ মে ২০২৬

ট্যাংক, কামান, গোলা নিয়ে সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক মহড়া

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
ট্যাংক, কামান, গোলা নিয়ে সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক মহড়া
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে সীমান্তবর্তী লাইন অব কন্ট্রোলের (এলওসি) কাছে পূর্ণমাত্রার সামরিক মহড়া চালিয়েছে পাকিস্তানের সেনারা। বৃহস্পতিবার (১ মে) ট্যাংক, কামান, গোলা ও তাজা গুলি নিয়ে মহড়া দেয় তারা। সেনাবাহিনীর সূত্র জানিয়েছে, এই মহড়া শত্রুপক্ষের যে কোনো ধরনের আগ্রাসনকে কঠোর জবাব দেওয়ার জন্য সাজানো হয়েছে। এতে বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে সাধারণ সেনারা অংশ নেন। পাকিস্তানকে কোণঠাসা করতে আফগানিস্তানকে কাছে টানছে ভারত সংবাদমাধ্যম এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, গতকাল বুধবার ভারতীয় সেনারা বিনা উস্কানিতে এলওসির কিয়ানি ও মন্ডল সেক্টর দিয়ে ছোট অস্ত্র দিয়ে গুলি ছুড়ে। পরবর্তীতে পাক সেনারা জবাবে ভারতীয় সেনাদের কয়েকটি চেকপোস্ট ধ্বংস করে দেয়। আর এই গোলাগুলি ও চেকপোস্ট ধ্বংস করার পরই সীমান্তে সামরিক মহড়ার আয়োজন করা হয়। গত ২২ এপিল ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরের পেহেলগামে ২৬ জনকে গুলি করে হত্যা করে বন্দুকধারীরা। এ ঘটনায় পাকিস্তান পরোক্ষভাবে জড়িত এমন অভিযোগ তুলে ভারত। এরপর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এ ঘটনার পর পর ভারত পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু নদ চুক্তি বাতিল ও সীমান্ত বন্ধ সহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। এর জবাবে পাকিস্তানও ভারতের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ এবং সিমলা চুক্তি স্থগিত করে। এসবের মধ্যে গত বুধবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী হঠাৎ করে জানান, বৃহস্পতিবারের মধ্যে ভারত তাদের ওপর হামলা চালাতে পারে। এরমধ্যে আবার ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পেহেলগামের হামলার জবাব দিতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে ‘অপারেশনাল ফ্রিডম’ দেন। এতে পাকিস্তানে হামলার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়। তবে পাকিস্তান সতর্কতা দিয়ে বলেছে, যদি তাদের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হামলা হয়। তাহলে এর কঠোর জবাব দেওয়া হবে। [বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।] বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি