ইমা এলিস: ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য একটি মনোনয়নপত্র হস্তান্তর করেছেন। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির জন্য ট্রাম্পের প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
হোয়াইট হাউজে নেতানিয়াহুর এই সফর ছিল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ট্রাম্পের সঙ্গে তার প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। এক নৈশভোজের সময় নেতানিয়াহু মনোনয়নপত্রটি বের করে ট্রাম্পকে দেন।
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ইতোমধ্যেই একটি বড় সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন। তিনি আব্রাহাম চুক্তি করেছেন। এখনো একের পর এক দেশ ও অঞ্চলে শান্তি আনছেন। তাই আমি আপনাকে দিতে চাই সেই চিঠিটি, যেটি আমি নোবেল কমিটিকে পাঠিয়েছি-আপনাকে শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়ে।
চিঠিটি হাতে নিয়ে ট্রাম্প বলেন, এটা আমি জানতাম না। ওয়াও। অনেক ধন্যবাদ। বিশেষ করে আপনার কাছ থেকে আসায়, এটি আমার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
ট্রাম্পের সমর্থকেরা দাবি করেছেন, বিশ্বব্যাপী যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তার সাম্প্রতিক ভূমিকা তাকে আবারও নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য বিবেচনায় আনার যথেষ্ট কারণ তৈরি করেছে।
মাত্র এক সপ্তাহ আগেই পাকিস্তান জানায়, তারা ভারত-পাকিস্তান সংঘাত প্রশমনে ট্রাম্পের ভূমিকার জন্য তাকেও শান্তি পুরস্কারের জন্য সুপারিশ করবে।
এছাড়া জর্জিয়ার রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান বাডি কার্টার মঙ্গলবার নোবেল কমিটিকে চিঠি দিয়ে জানান, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ট্রাম্প যে একটি প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করেছেন, সেটি এই মনোনয়নের ভিত্তি হওয়া উচিত।
সোমবারের বৈঠকে মূলত ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান সংঘর্ষ বন্ধে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা নিয়েই আলোচনা হয়। অক্টোবর ২০২৩ থেকে চলা এই যুদ্ধ এখনও পর্যন্ত কোনো স্থায়ী বিরতির সম্মতি পায়নি।
প্রসঙ্গত, নোবেল শান্তি পুরস্কার দীর্ঘদিন ধরেই ট্রাম্পের কূটনীতির এক গর্বিত আকাঙ্ক্ষা হয়ে আছে। তার প্রথম মেয়াদে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ ইস্যুতে সম্মেলন আয়োজন করে তিনি দাবি করেছিলেন, তার সেই প্রচেষ্টা নোবেল পাওয়ার যোগ্য। যদিও তা বাস্তবসম্মত কোনো ফল দেয়নি।
[বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]