৭ মে ২০২৬

করোনায় বিশ্বে আক্রান্ত-মৃত্যু কমেছে

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
করোনায় বিশ্বে আক্রান্ত-মৃত্যু কমেছে
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তিদের সংখ্যা প্রকাশকারী ওয়েবসাইট করোনাভাইরাস ওয়ার্ল্ডোমিটার এ তথ্য জানিয়েছে। ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৬ জন, মারা গেছেন ৯ হাজার ৮১৫ জন। আগের দিন বৃহস্পতিবার নতুন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৩৮২ এবং মৃতের সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ৮০৬। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার, অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে ২৪ হাজার ৫৯৬ এবং মৃতের সংখ্যা কমেছে ৯৯১ জন। গত কয়েক দিনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে শুক্রবারও করোনায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এদিন দেশটিতে এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৫৯৩ জন এবং মারা গেছেন মোট ১ হাজার ৫১২ জন। এছাড়া শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ব্যতীত করোনায় নতুন আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুতে উচ্চহার লক্ষ্য করা দেশগুলো হলো ভারত (নতুন আক্রান্ত ৪২ হাজার ৩৪৬, মৃত্যু ৩৪০), যুক্তরাজ্য (নতুন আক্রান্ত ৪২ হাজার ৭০, মৃত্যু ১২১), ইরান (নতুন আক্রান্ত ২৭ হাজার ৬২১, মৃত্যু ৫৬১ ), তুরস্ক (নতুন আক্রান্ত ২২ হাজার ৮৫৭ , মৃত্যু ২৭৬), ব্রাজিল (নতুন আক্রান্ত ২৫ হাজার ৩৪৮, মৃত্যু ৭৪৯), মালয়েশিয়া (নতুন আক্রান্ত ১৯ হাজার ৩৭৮, মৃত্যু ৩৩০), মেক্সিকো (নতুন আক্রান্ত ১৮ হাজার ৩৩৮, মৃত্যু ৯৯৩) এবং রাশিয়া (নতুন আক্রান্ত ১৮ হাজার ৩৫৬, মৃত্যু ৭৯৯)। বর্তমানে বিশ্বে সক্রিয় করোনা রোগী আছেন ১ কোটি ৮৫ লাখ ১৬ হাজার ৬৮৩ জন। এ রোগীদের মধ্যে মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ বহন করছেন ১ কোটি ৮৪ লাখ ৩ হাজার ৮৬৬ জন এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৮১৭ জন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা হয়। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি