৪ মে ২০২৬

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ও শুল্ক ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টকে তীব্র আক্রমণ ট্রাম্পের

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৬ পিএম
জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ও শুল্ক ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টকে তীব্র আক্রমণ ট্রাম্পের

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সুপ্রিম কোর্ট

নোমান সাবিত: জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ও শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট-এর তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেছেন আদালত 'দেশের প্রতি কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না।'
সোমবার ট্রুথ সোশ্যালl-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, আদালত তার আরোপিত শুল্কের বিরুদ্ধে রায় দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য শত শত বিলিয়ন ডলারের সুবিধা নষ্ট করেছে।
তিনি আরও বলেন, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বিষয়ে আদালতের অবস্থান নিয়েও তার গভীর আপত্তি রয়েছে। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, বিচারপতিরা যদি মার্ক লেভিন-এর অনুষ্ঠান দেখতেন, তাহলে 'এই অর্থ উপার্জনের প্রতারণা' চলতে দিতেন না।
ট্রাম্পের মতে, আদালতের উচিত দেশের স্বার্থে তাদের ক্ষমতা ব্যবহার করা। তিনি সতর্ক করে বলেন,'দেশ এত বেশি ভুল সিদ্ধান্ত সহ্য করতে পারবে না।'
গত বছর ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন, যার মাধ্যমে অভিবাসী ও অস্থায়ী ভিসাধারীদের সন্তানদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়া বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়। তার দীর্ঘদিনের দাবি, সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী কেবল যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক বা বৈধ স্থায়ী বাসিন্দাদের সন্তানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
তবে গত ১২৫ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে ১৪তম সংশোধনী এমনভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের মাটিতে জন্মগ্রহণকারী প্রায় সকল ব্যক্তিকেই নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।
গত সপ্তাহে এই নির্বাহী আদেশ নিয়ে শুনানি করে সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসন প্রশ্ন তোলেন, হাসপাতালে কি মায়েদের নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র দেখাতে হবে? আর বিচারপতি নীল গোরসুচ জানতে চান, এই আদেশে নেটিভ আমেরিকানদের কীভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হবে।
ট্রাম্প আদালতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'দেশের কল্যাণে সাধারণ বুদ্ধি ব্যবহার করুন' এবং ১৪তম সংশোধনীর পুনর্ব্যাখ্যা করার জন্য বিচারপতিদের উৎসাহিত করেন।

* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।

বিপি/এসএম

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি