৭ মে ২০২৬

বাইডেনের সাধারন ক্ষমায় প্রাণ বাঁচল 'দুই টার্কির'

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
বাইডেনের সাধারন ক্ষমায় প্রাণ বাঁচল 'দুই টার্কির'
নিজস্ব প্রতিবেদক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের হাতে প্রাণে রক্ষা পেলো দুই টার্কি (বিশেষ জাতের মুরগি)। ‘পিনাট বাটার’ ও ‘জেলি’ নামের ওই দুই টার্কি কোনো পরিবারের খাবার হবার আগেই হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে পৌঁছে যায়। ফলে রান্নাঘর পর্যন্ত যেতে হচ্ছে না তাদের। প্রতিবছর নভেম্বর মাসের চতুর্থ বৃহস্পতিবার ‘থ্যাংকসগিভিং ডে’ পালন করে যুক্তরাষ্ট্র। সে অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার দিবসটি পালন করা হবে। এদিন বাড়িতে বাড়িতে টার্কি মুরগির রোস্ট খাওয়ার ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। হোয়াইট হাউসে প্রতি বছর ‘থ্যাংকসগিভিং ডে’ সামনে রেখে প্রেসিডেন্টের টার্কি মুরগিকে ক্ষমা করার রীতি পালন করা হয়। এরই অংশ হিসেবে ইন্ডিয়ানার খামারে বড় হয়ে ওঠা টার্কি মুরগি পিনাট বাটার ও জেলিকে ওয়াশিংটন ডিসিতে পাঠানো হয় গত সপ্তাহে। ওয়াশিংটনে লুক্সে উইলার্ড হোটেলে রাখা হয়েছিল এগুলোকে। হোয়াইট হাউসে পাঠানোর আগে বৃহস্পতিবার মুরগিগুলো নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ন্যাশনাল টার্কি ফেডারেশন। শুক্রবার হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পিনাট বাটার ও জেলিকে প্রেসিডেন্টের হাতে উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। সে অনুষ্ঠানেই তাদের জন্য ক্ষমা ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। এর মধ্য দিয়ে এ ছুটির মৌসুমে রান্নাঘরে রোস্ট হওয়া থেকে রক্ষা পেল ওই দুই মুরগি। মুরগিগুলোকে পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিমেল সায়েন্সেস এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ ফার্মে পাঠানো হয়েছে। এখন থেকে সেখানেই থাকবে এগুলো। অনুষ্ঠানে মজা করে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘মেজাজ কেমন, দেখতে কেমন এগুলোর ভিত্তিতে পিনাট বাটার ও জেলিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আমার তো সন্দেহ হচ্ছে তারা টিকা নিয়েছে কি না, সেটাও হয়তো যাচাই করা হয়েছে। তবে হ্যাঁ, এখন আর এ টার্কি মুরগিগুলোকে আগুনে ঝলসানো হবে না।’ প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘পিনাট বাটার ও জেলি এ দুটো নাম তো আর মেনে নেওয়া যাচ্ছে না। আপনাদের কাছে স্বীকার না করে পারছি না, যদিও আমার স্ত্রী চায় না আমি স্বীকার করি, তবু বলছি, মধ্যাহ্নভোজে এ খাবারগুলো খেতে আমি পছন্দ করি।’ বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি