
নিজস্ব প্রতিবেদক : নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে নেমেই যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের প্রশংসা করলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। স্থানীয় সময় রোবাব্র সাত দিনের সরকারি সফরে নিউ ইয়র্কের পৌঁছেই তিনি জানতে পারেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের করোনার টিকা বিতরণের তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না, বেশ কয়েকজন জোর লবিং চালিয়ে বাংলাদেশের নাম তালিকাভুক্ত করেছেন। এ খবর শুনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানান।
বিমানবন্দরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উষ্ণ অর্ভথনা জানাতে প্রবাসী চিকিৎসক মাসুদুল হাসান জানান, যুক্তরাষ্ট্রের করোনার টিকা বিতরণের তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত নেই খবর পেয়ে তারা বেশ কয়েকজন মইলে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সাথে দেখা করেন এবং টিকা বিতরণের তালিকায় বাংলাদেশের নাম অর্ন্তভুক্ত করান। চলতি মাসের জুন মাসের শেষ সপ্তাহে নাগাদ এক মিলিয়ন করোনা টিকা বাংলাদেশ পাবেন বলে আশা করছেন প্রবাসীরা। এ বিষয়টি পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনকে অবহিত করা হলে তিনি প্রবাসীদের এই প্রশংসনীয় উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, বিশেষ করে আমরা যেটা তাগাদা দিয়েছি, আমাদের যে ১৫ লাখ লোক প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছিলো অন্তত তাদের জন্য যেন আমেরিকা টিকাগুলো দেয়। যাতে করে তারা দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিতে পারেন।
সাতদিনের সরকারি সফরে নিউ ইয়র্কে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলাম ও জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা। সফরে জাতিসংঘে সদর দপ্তরে রোহিঙ্গা ইস্যু ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আলাদা দুটি সভায় অংশ নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়াও জাতিসংঘ মহাসচিবের সাথেও তার বৈঠকের কথা রয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলতি সফরকালীন সময়ে ভার্জিনিয়ায় বাংলাদেশি মালিকানাধীন ‘ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’র পরিদর্শনে যাবেন কিনা তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি সরকারি সফরের নাম করে যুক্তরাষ্ট্র সফরে এসে ২৭ ফেব্রুয়ারি ভার্জিনিয়ায় বাংলাদেশি মালিকানাধীন ‘ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মানতে মার্কিন জন প্রতিনিধের সাথে সরাসরি দেখা না পারলেও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে তিনি শনিবার অনেক মানুষের ভিড়ে মুখে মাক্সবিহীন অবস্থায় তিনি উক্ত ইউনিভার্সিটির উদ্বোধন করেন। ওই সময় উক্ত বিষয়টি প্রবাসীদের মাঝে বেশ আলোচিত হয়।
বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]