৪ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে এখন পরিচয়পত্র যাচাই করছে আইসিই কর্মকর্তারা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে এখন পরিচয়পত্র যাচাই করছে আইসিই কর্মকর্তারা

আইসিই কর্মকর্তারা যাত্রীদের পরিচয়পত্র (আইডি) যাচাই শুরু করেছেন

আবু সাবেত: যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিমানবন্দরে এখন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কর্মকর্তারা যাত্রীদের পরিচয়পত্র (আইডি) যাচাই শুরু করেছেন বলে জানিয়েছে ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (টিএসএ)।
ভারপ্রাপ্ত টিএসএ প্রশাসক হা নগুয়েন ম্যাকনিল কংগ্রেসের এক শুনানিতে বলেন, নির্বাচিত কিছু বিমানবন্দরে মোতায়েন করা আইসিই কর্মকর্তারা 'নন-স্পেশালাইজড স্ক্রিনিং' প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা লাইনের প্রবেশ ও বহির্গমন পথ পাহারা দেওয়া, ভিড় নিয়ন্ত্রণ, লজিস্টিক সহায়তা এবং পরিচয় যাচাই।
ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির ভারপ্রাপ্ত সহকারী সচিব লরেন বিস জানান, টিএসএ-এর মানসম্মত প্রশিক্ষণ শেষে আইসিই কর্মকর্তারা এখন নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহায়তা করছেন, যাতে টিএসএ কর্মকর্তারা তাদের বিশেষায়িত স্ক্রিনিংয়ের কাজে বেশি মনোযোগ দিতে পারেন।
খবরে বলা হয়েছে, আটলান্টার হার্টসফিল্ড-জ্যাকসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আইসিই কর্মকর্তাদের যাত্রীদের আইডি স্ক্যান করতে, কম্পিউটারে যাচাই করতে এবং স্ক্যানিং লাইনে পাঠাতে দেখা গেছে। একইভাবে, ফিনিক্স স্কাই হারবার বিমানবন্দরে সশস্ত্র আইসিই কর্মকর্তারা আইডি যাচাই এবং ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করছেন।
ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির অর্থায়ন বন্ধ থাকায় টিএসএ কর্মকর্তারা বেতন ছাড়া কাজ করছেন, এমন পরিস্থিতিতে সোমবার থেকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশজুড়ে বিমানবন্দরে আইসিই মোতায়েনের নির্দেশ দেন।


ম্যাকনিল জানান, ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংকটে ইতোমধ্যে ৪৮০-এর বেশি টিএসএ কর্মকর্তা চাকরি ছেড়েছেন এবং বেতন বন্ধ থাকায় সংস্থাটি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। ফলে দেশজুড়ে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা লাইনের অপেক্ষার সময়ও বেড়ে গেছে।
তবে এই পদক্ষেপ নিয়ে সমালোচনাও উঠেছে। কংগ্রেস সদস্য ট্রয় কার্টার বলেন, টিএসএ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে যেখানে চার থেকে ছয় মাস লাগে, সেখানে কয়েক দিনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আইসিই কর্মকর্তাদের দিয়ে এই কাজ করানো কার্যকর হবে না।
টিএসএ ইউনিয়ন নেতারাও এই উদ্যোগের বিরোধিতা করে বলেছেন, এটি মূল সমস্যার সমাধান নয়, বরং কর্মীদের বেতন নিশ্চিত করার বিষয়টি থেকে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা।
এক  টিএসএ কর্মকর্তা বলেন, 'দিনের শেষে আইসিই কী করছে তা নয়, কর্মীদের বেতন দেওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটি প্রকৃত সমস্যাকে আড়াল করার একটি প্রচেষ্টা।'

* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।

বিপি/এসএম

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি