৮ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে এবার প্রাণ হারাল বিমানকর্মী

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে এবার প্রাণ হারাল বিমানকর্মী
নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ফোর্ট ওয়ালটন বিচে বিমান বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ সদস্যকে তার নিজ বাড়িতে গুলি করে হত্যা করেছিলেন একজন ডেপুটি শেরিফ। গত সপ্তাহে এ ঘটনা ঘটলেও ৯ মে (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে। নিহত ২৩ বছর বয়সি বিমান কর্মকর্তা রজার ফোর্টসন। তিনি ৩ মে ফ্লোরিডায় নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। যে ডেপুটি তাকে গুলি করেছেন তার নাম পুলিশ জানায়নি। তাকে প্রশাসনিক ছুটিতে রাখা হয়েছে। ফ্লোরিডা পুলিশ ডেপুটির পরিহিত বডি ক্যামেরা থেকে নেওয়া চার মিনিটের একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ ফোর্টসনের অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে পৌঁছেছে এবং একজন প্রত্যক্ষদর্শী তাকে লিফটের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি সেই ডেপুটিকে একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে মারামারির শব্দ শুনেছেন বলে জানিয়েছিলেন। ডেপুটি তখন একা ফোর্টসনের দরজার কাছে গিয়ে কড়া নাড়েন। দুবার ডেকে বললেন, তিনি শেরিফের অফিসের সদস্য। দরজা খোলার সময় ফোর্টসনকে ডান হাতে একটি বন্দুক ধরে থাকতে দেখা যায়। তিনি দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে ডেপুটি একাধিক গুলি চালান। পরে তাকে অস্ত্র ফেলে দিতে বলেন। ফোর্টসনের মা কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার সন্তানই আমার সবকিছু ছিল। একজন প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে ফোর্টসনের পরিবারের এক আইনজীবী অভিযোগ করেন, পুলিশ ভুল বাড়িতে ঢুকে পড়েছিল। পুলিশ এ দাবির বিরোধিতা করেছে এবং বলেছে যে ফোর্টসনকে বন্দুকহাতে সশস্ত্র দেখে ডেপুটি আত্মরক্ষায় গুলি চালিয়েছিলেন। ওকালুসা কাউন্টি শেরিফ এরিক অ্যাডেন জানিয়েছেন, ফ্লোরিডার আইন প্রয়োগকারী বিভাগ ও স্টেট অ্যাটর্নি অফিস গোলাগুলির ঘটনা তদন্ত করছে। এডেন বলেছেন, ‘আমি তদন্তে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। তবে এসব তদন্তে সময় লাগে। কিন্তু আমি আশ্বস্ত করতে চাই যে আমরা লুকাচ্ছি না, ধামাচাপা দিচ্ছি না বা এমন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছি না যার ফলে ফোর্টসন বা আমাদের ডেপুটির তাড়াহুড়ো করে রায় দেওয়া হবে। বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি