যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড মহামারিতে ১০০ বিলিয়ন ডলার চুরি, জড়িত বাংলাদেশিরাও
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
আবু সাবেত: যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হাজার হাজার প্রতারক সম্মিলিতভাবে কোভিড-১৯ জরুরি বেকার সহায়তা থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি চুরি করেছে। প্রতারকরা নানা কৌশলে শাস্তি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে। মহামারিকালীন আর্থিক অপরাধের জন্য নির্ধারিত মামলা দায়েরের জন্য কংগ্রেসে মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন না করলে আগামী ২৭শে মার্চ সময়সীমা শেষ হয়ে যাবে। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বেশ কয়েকটি মার্কিন সংবাদপত্র এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করেছে।
সরকারি হিসাব মতে মহামারির সময় প্রতারণার মাধ্যমে ১০০ থেকে ১৩৫ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছে সরকার। শ্রম দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলার পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কাছে হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। শুধুমাত্র মার্কিন বিচার বিভাগেই ১,৬০০-এর বেশি অপরাধমূলক মামলার তদন্ত চলছে, কিন্তু এখনো অভিযোগ গঠন করা হয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রে করোনা মহামারিতে প্রতারণার মাধ্যমে ভুয়া কর্মচারি দেখিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জরুরিভিত্তিতে পে-চেক প্রটেকশন প্রোগ্রামের (পিপিপি) আওতায় যে ঋণ সুবিধা পেয়েছিলেন তা ফেরত প্রদানের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। নিউ ইয়র্কের বেশ কয়েজকন বাংলাদেশি হোম কেয়ার ব্যবসায়ী মামলা এড়াতে বাধ্য হয়ে পিপিপি ঋণের অর্থ ফেরত দিচ্ছেন। তারা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভুয়া কর্মচারির বিপরীতে পিপিপি লোন নিয়ে ব্যক্তিগত কাজে লাগিয়েছেন। লোনের অর্থ দিয়ে বিলাশ বহুল বাড়ি ও গাড়ি কেনার প্রতিযোগিতা করেছেন অনেক বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। এ ধরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ হাতে ২ বাংলাদেশি ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার এবং ২ জন অভিযুক্ত হয়েছেন। ফেডারেল গোয়েন্দাদের নজরদারিতে রয়েছেন আরও ২০ জন বাংলাদেশি।
কোভিড-১৯ ত্রাণ তহবিলের হাজার হাজার ডলার চুরি করার অভিযোগে বাংলাদেশি একজন উবার চালক হুমায়ুন কবির (৫৩)এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে কুইন্স জেলা অ্যাটর্নি মেলিন্ডা কাটজ। কবির তার বিরুদ্ধে বিচারাধীন অভিযোগ জানতে পেরে গত বছর ২১ নভেম্বর নিউ ইয়র্কের ১০৩তম পুলিশ চত্বরে আত্মসমর্পণ করতে গেলে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে কুইন্স ফৌজদারি আদালতে ফেডারেল দুর্যোগ ত্রাণ কর্মসূচিকে ফাঁকি দিয়ে নিউ ইয়র্কের আপষ্টেট নায়াগ্রা ফলসে তিনটি আবাসিক সম্পত্তি কেনার জন্য তহবিল ব্যবহার করার অভিযোগে নয়টি ফৌজদারি অভিযোগে আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সরকারি সম্পদ লুটপাট, চুরি হওয়া সম্পত্তির ফৌজদারি দখলের তিনটি কাউন্ট, বড় ধরণের লুটপাটের দুটি কাউন্ট এবং ব্যবসায়িক রেকর্ড ভুয়া করার তিনটি কাউন্টের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
কোভিড মহামারীতে ব্যবসায়িক ক্ষতি পোষাতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার পে-চেক প্রটেকশন প্রোগ্রামের (পিপিপি) আওতায় ঋণ সুবিধা দেয় ব্যবসায়ীদের। উবার চালক থেকে নানান পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা এই অর্থ পাওয়ার পর সঠিক কাজে ব্যয় করেননি। বেশিরভাগই বাড়ি কিনেছেন। কিনেছেন দামী গাড়িও। কিন্তু তাদের এই বিলাসী জীবন এখন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফেডারেল গোয়েন্দা তাদের খুঁজে বের করে মামলা দায়ের করছেন। অভিযোগ প্রমাণ হলে জেল-জরিমানাসহ ফেরত দিতে হবে সমূদয় অর্থ।
পিপিপি লোনের প্রায় আড়াই লাখ ডলার ঋণ নিয়ে বাড়ি কেনার অভিযোগ উঠেছে জ্যামাইকার বাসিন্দা হুমায়ূন কবির (৫৩) নামে এক উবার চালকের বিরুদ্ধে। পিপিপির অর্থ দিয়ে তিনি নায়াগ্রা জলপ্রপাত এলাকায় তিনটি বাড়ি কিনেছেন-এমন অভিযোগ এনে মামলা করেছে কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি কার্যালয়।
মামলার খবর পেয়ে গত ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার কুইন্স কাউন্টির ১০৩ পুলিশ স্টেশনে আত্মসমর্পণ করেন উবার চালক হুমায়ূন। পরে তাকে কুইন্স ক্রিমিনাল কোর্টে হাজির করা হয়। ২৬ জানুয়ারি হাজিরা দেওয়ার শর্তে ওই সময় তাকে জামিন দেয় আদালত।
কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি মেলিন্ডা ক্যাটজ গণমাধ্যমেকে জানান, উবার ব্যবসায় ব্যাপক ক্ষতির শিকার হওয়ার কথা বলে হুমায়ূন কয়েক দফায় দুই লাখ ৪৬ হাজার ডলার ঋণ নেন। সেই অর্থ দিয়ে নিউ ইয়র্ক নায়াগ্রা জলপ্রপাতের কাছে তিনি তিনটি বাড়ি কিনেছেন। এফবিআইসহ বিভিন্ন সংস্থার তদন্তের পর তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
মেলিন্ডা ক্যাটজ বলেন, ২০২০ সালের জুনে ইকনোমিক ইনজুরি ডিজাস্টার লোন (ইআইডিএল) পেতে ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসনে (এসবিএ) আবেদন করেন হুমায়ূন কবির। সেখানে নিজেকে নিউ ইয়র্ক সিটির পরিবহন খাতের কর্মী হিসেবে বর্ণনা করেন। তখন ৫০ হাজার ১০০ ডলার ঋণ পান তিনি। এরপর ২০২১ সালের মার্চে ‘পে-চেক প্রটেকশন প্রোগ্রাম (পিপিপি)’র জন্য ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসনে আরেকটি আবেদন করেন হুমায়ূন। এ আবেদনে নিজেকে তিনি উবার চালক হিসেবে দেখান। এ দফায় তিনি ২০ হাজার ৮৩৩ ডলার ঋণ পান।
দুই মাস বাদে একই কর্মসূচি থেকে ঋণের জন্য ফের আবেদন করেন হুমায়ূন। তখন ক্ষুদ্র ঋণ প্রশাসন তাকে আরো ২০ হাজার ৮৩৩ ডলার ঋণ দেয়।এরপর অগাস্টে ইকনোমিক ইনজুরি ডিজাস্টার লোনের পরিমাণ বাড়ানোর আবেদন করেন তিনি। তখন ঋণের পরিমাণ ৫০ হাজার ১০০ ডলার থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৫৫ হাজার ২০০ ডলার করা হয়। পরে আরেকবার বাড়িয়ে করা হয় দুই লাখ ৫ হাজার ৩০০ ডলার। ঋণ নেওয়ার সময় হুমায়ূন কবির প্রত্যেকবারই অঙ্গীকারনামায় বলেন যে, ব্যাপক ক্ষতির শিকার ব্যবসাকে চাঙ্গা করতে ঋণের অর্থ ব্যয় করবেন।
কোভিড মহামারীর সময় যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে চাঙ্গা করতে কখনো বিনা সুদে, কখনো নামমাত্র সুদে; এমনকি ঋণের অর্থ শর্ত অনুযায়ী ব্যয় করলে তা আর ফেরত দেওয়া হবে না এমন সব সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হয়। ওই সময় নিউ ইয়র্কের হোম-কেয়ার ব্যবসায়ীসহ বিপুলসংখ্যক মানুষ মিথ্যা তথ্য দিয়ে পিপিপি ও ইআইডিএল কর্মসূচির অর্থ তছরুপ করেছেন।
এফবিআইসহ বিভিন্ন সংস্থা মাঠে নেমে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে, ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে শতাধিক ব্যক্তি। অপকর্মের সহযোগিতাকারী সিপিএ ফার্মসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। ঋণের অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করা হয়েছে কী না তা খতিয়ে দেখতে গত বছরের মার্চ থেকে তদন্তে নামে নিউ ইয়র্ক স্টেট ফ্যাইন্যান্সিয়াল ডিপার্টমেন্টের গোয়েন্দারা। এফবিআইসহ অন্যান্য সংস্থাও এই তদন্তে শামিল হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্র ধরেই উবার চালক হুময়িূনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি কার্যালয়।
ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি মেলিন্ডা ক্যাটজ বলেন, এসবিএ থেকে নেওয়া মোট দুই লাখ ৪৬ হাজার ৯৬৬ ডলারের পুরোটাই বাড়ি কেনাতে ব্যয় করেছেন হুমায়ূন। বিষয়টি ব্যাংকের বিবরণীতে স্পষ্ট হয়েছে। হুমায়ূনের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেসব প্রমাণিত হলে তার ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। পাশাপাশি ‘প্রতারণামূলকভাবে’ তোলা অর্থও ফেরত দিতে হবে।
এর আগে করোনা মহামারী পিপিপি লোনের প্রায় এক মিলিয়ন ঋণ নিয়ে জালিয়াতি ও প্রতারণার দায়ে নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে বাংলাদেশি নির্মাণ ঠিকাদার বাবা-ছেলে অভিযুক্ত হয়েছেন। তারা বাংলাদেশি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান রাহিল কন্ট্রাক্টিং ইনক নাম দেখিয়ে ১.৮৪ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৩ কোটি টাকা) সরকারি ঋণ নেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক বাংলাদেশি নূরুস সাফা ও তার ছেলে মাইদুল সাফা। নূরুস সাফা হলেন নিউ ইয়র্কের আঞ্চলিক সংগঠন সন্দ্বীপ সোসাইটির বর্তমান উপদেষ্টা। তার ছেলের নাম মাইদা সাফা। দুজনে মিলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে লোন নিয়ে দুটি বাড়ি ও বিলাসবহুল বিএমডবিডব্লিউ গাড়ি কেনেন তারা। তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে ব্রকলিনের সিনিয়র সহকারী জেলা অ্যাটর্নি সের্গেই মার্টস-এর আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে এই মামলায় তাদের ১০ থেকে ২৫ বছরের সাজা হতে পারে।
করোনা মহামারীর পর প্রতিষ্ঠান চালু রাখতে কর্মচারিদের বেতন ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক খরচ বাবদ ফেডারেল সরকার পিপিপি ঋণ সুবিধা চালু করেন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রিয় সরকার। নানা অজুহাত দেখিয়ে উক্ত ঋণের অর্থ পরবর্তীতে মওকুফ জন্য আবেদন করলে অনেকেই উক্ত অর্থ মওকুফ পান। কেন্দ্রিয় সরকারের সঙ্গে প্রতারণা করে নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের অনেকেই মিথ্যা তথ্য, বিশেষ করে ভুয়া অফিস ও কর্মচারি দেখিয়ে পিপিপি ঋণের অর্থে বাড়ি ও গাড়ি কিনেছেন, যা গুরুতর অপরাধ হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ভূয়া অফিস ও কর্মী দেখিয়ে পিপিপি লোন নিয়ে অভিজাত বাড়ি ও বিলাসবহুল গাড়ি কিনে রাতারাতি সমাজসেবক হওয়ার খবর বাংলাদেশি কমিউনিটিতে নানা সময় আলোচনার খোরাক হয়েছে। অনেকে নিজের ব্যবসা গুটিয়ে অন্য ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। কেউ ব্যবসার মালিকানা পরিবর্তন করে নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা করছেন। ফেডারেল গোয়েন্দাদের জালে তাদের অনেকেই ইতিমধ্যে ধরা পড়েছেন। অনেকেই রয়েছেন গোয়েন্দা নজরদারিতে।
কংগ্রেস কীভাবে সময় বাড়াতে পারে?
রিপাবলিকান কংগ্রেসম্যান ড্যারিন লাহুড বলেছেন আমি আশা করি যে আসন্ন সপ্তাহগুলোতে আমরা দ্বিদলীয়ভাবে একসাথে কাজ করতে পারবো যাতে আইন পাস করে নির্ধারিত সময়সীমার আগে ২৭শে মার্চের আগেই বিল অনুমোদন করা যায়। এর আগে কংগ্রেস পাঁচ বছরের জন্য সময়সীমা বাড়ানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিল।
কীভাবে প্রতারকরা ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি চুরি করল?
প্রতারকদের জন্য সরকারি তহবিল থেকে চুরি করা তুলনামূলকভাবে সহজ কারণ সরকার 'পে অ্যান্ড চেইস' (আগে টাকা দাও, পরে তদন্ত করো) নীতিতে কাজ করে। সংস্থাগুলো যত দ্রুত সম্ভব অর্থ বিতরণ করতে চায়, ফলে তারা সঠিকভাবে পরিচয় যাচাই করে না এবং বিপুল সংখ্যক দাবির মধ্যে প্রতারণার ইঙ্গিতগুলো ধরতে ব্যর্থ হয়। এ কারণেই সরকারি সহায়তা কর্মসূচি অপরাধীদের জন্য বড় টার্গেটে পরিণত হয়।
লেক্সিসনেক্সিস রিস্ক সলিউশনের সিইও হেউড টালকোভ বলেছেন তাদের অর্থ কখনো শেষ হয় না এবং তাদেরকে সহজে গ্রেফতার করাও স্মভব হবে না।
টালকোভ ব্যাখ্যা করে বলেন, অপরাধী চক্র চুরি করা ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে আসল ব্যক্তিদের নামে দাবি দাখিল করে। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন সরকারকে আরও কঠোর পরিচয় যাচাই ব্যবস্থা চালু করতে হবে এবং স্ব-প্রত্যয়ন (self-certification) বন্ধ করতে হবে, যা সুবিধাভোগীদের নিজেদের যোগ্যতা নিশ্চিত করার অনুমতি দেয়।
টালকোভ কংগ্রেসে সতর্ক করেছেন 'যদি আমরা কিছু না করি, তাহলে আমরা মূলত প্রতারকদের, সংগঠিত অপরাধীদের শত্রু রাষ্ট্রগুলোকে এবং এমনকি সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন করছি যারা এসব সরকারি সহায়তা তহবিলকে ব্যক্তিগত চেকিং অ্যাকাউন্ট হিসেবে ব্যবহার করে।
সবচেয়ে বড় প্রতারণার পেছনে কারা রয়েছে?
যদিও কিছু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থে চুরি করেছে কিন্তু বৃহত্তর সমস্যা হলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংগঠিত অপরাধ। মার্কিন বিচার বিভাগ সম্প্রতি জানিয়েছে একজন ব্যক্তি স্বীকার করেছে যে সে ৫৯ মিলিয়ন ডলার চীনে পাচার করেছে যা জনকল্যাণ তহবিল থেকে লন্ডার করা হয়েছিল। কিছু অর্থ উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির সাথেও সংযুক্ত ছিল। এছাড়াও, অর্থ পাচার হয়েছে নাইজেরিয়া, ইরান এবং রাশিয়ার সংগঠিত অপরাধী নেটওয়ার্কের কাছে।
টালকোভ সতর্ক করে বলেছেন, শুধু কোভিড তহবিলই নয় বরং সমস্ত দুর্যোগ ত্রাণ ফান্ড এই প্রতারকদের লক্ষ্যে রয়েছে। মহামারির সময় যারা সরকারের কাছ থেকে চুরি করেছিল তারা এখন আবার ক্যালিফোর্নিয়ার ভয়াবহ দাবানলের পর দুর্যোগ ত্রাণ তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাৎ করছে।
বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তর্জাতিক
দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা বৈঠকে বসেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ও সর্বোচ্চ নেতা
৪ ঘন্টা আগে
by বাংলা প্রেস
আন্তর্জাতিক
সৌদির আকাশসীমা নিষেধাজ্ঞার পর হরমুজে নৌ অভিযান স্থগিত ট্রাম্পের
৪ ঘন্টা আগে
by বাংলা প্রেস
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি