শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে সাকিবকে লিগ্যাল নোটিশ
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ৭২ ঘণ্টা আগে আন্দোলনরত ক্রিকেটারদের দাবি আদায়ে দিয়েছেন নেতৃত্ব। ধর্মঘট ডেকে বর্ধিত ম্যাচ ফি, বেতনসহ আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধা আদায় করে নিয়েছেন সাকিব। বিসিবিকে চাপের মুখে ফেলে দাবি আদায়ে সফল সেই সাকিবই হয়ে গেছেন বোর্ডের প্রতিপক্ষ। পেয়েছেন শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে লিগ্যাল নোটিশ।
কেন্দ্রীয় চুুক্তিতে থাকা ক্রিকেটারদের কেউ কোনো পণ্য কিংবা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের মডেল হতে চাইলে অনুমতি নিতে হবে বিসিবির। এটাই শর্ত। কিন্তু গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনের মডেল হতে বিসিবির অনুমতি নেননি সাকিব। করেছেন বিজ্ঞাপনের শুটিং।
শুক্রবার যোগ দেননি অনুশীলনে। ছুঁতো অভিযোগ নয়, মহা অভিযোগ। সুযোগটা নিয়েছে বিসিবি। অনুমতি না নিয়ে গ্রামীণফোনের সঙ্গে চুক্তি করেছেন সাকিব। তাতেই ক্ষেপেছেন বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন এমপি- ‘আমাদের সঙ্গে চুক্তি তো আছেই। তার পরও আমাদের না জানিয়ে কী করে চুক্তি করে? টাইমিংটা দেখুন। খেলা বন্ধ করে চুক্তি! এগুলো তো ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ।’
সাকিবকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো নিয়ে পাপন বলেন, ‘আমাদের আইন অনুযায়ী এটা কোনোভাবেই করতে পারে না। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। ওই টেলিকম কোম্পানিও জানে, খেলোয়াড়রাও জানে।’
সাকিবকে লিগ্যাল নোটিশ নিতে দুপুরে আসতে হয়েছে বিসিবি অফিসে। দেখা করতে হয়েছে বিসিবি সিইও নিজামুদ্দিন চৌধুরী সুজনের সঙ্গে। তবে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে অভিযুক্ত সাকিবকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে চান বিসিবি সভাপতি- ‘এটি কেন করলো, আগে তো ওকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। সেই কারণে ওকে আমরা চিঠি দিচ্ছি। তবে একটা ব্যাপার হলো এটি কোনোভাবেই সে করতে পারে না, সম্পূর্ণভাবে বেআইনি।’
বিসিবি এখন সাকিবের জববের অপেক্ষায়। তবে জবাব যা-ই দিক না কেন, সাকিবকে সহজে ছাড় দিবে না বিসিবি, তা জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি- ‘ছাড় দেয়ার প্রশ্নই আসে না।’
এর আগেও, সাকিব ভঙ্গ করেছেন বিসিবির শর্ত। শর্ত ভঙ্গ করে বাংলা লিঙ্কের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় বাংলাদেশ দলের টিম স্পন্সরশিপ চুক্তি সাংঘর্ষিক হওয়ায় ৭ লাখ মার্কিন ডলার কেটে নিয়েছে টিম স্পন্সরশিপ প্রতিষ্ঠান। ক্রিকেটারদের পক্ষ নিয়ে বিসিবির চোখে এখন প্রতিপক্ষ সাকিব। তাই ছুঁতো অভিযোগেও যে সাকিব এখন অপরাধী বিসিবির চোখে!
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি