পাপন বিসিবি ছাড়লে মাশরাফী-সাকিব কি সভাপতি হতে পারবেন?
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বুধবার (১০ জানুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেন রাষ্ট্রপতি। তারই অংশ হিসেবে পাপনকে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের জন্য ফোন দেয়া হয়েছে।
যে ২৫ জন সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণের জন্য ফোন দেয়া হয়েছে, সেই তালিকায় রয়েছেন পাপন। অর্থাৎ বড় একটি দায়িত্বই বর্তাচ্ছে তার কাঁধে। মন্ত্রিত্ব পেলেও বিসিবির দায়িত্বে থাকতে বাধা নেই তার। এর আগে ১৯৯৬ সালের ৪ জুলাই থেকে ২০০১ সালের ১৮ আগস্ট পর্যন্ত বিসিবি সভাপতি ছিলেন সাবের হোসেন চৌধুরী। সে সময় সংসদ সদস্য থাকা সাবের সাড়ে তিন বছর নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ছিলেন।
ধরাবাধা নিয়ম না থাকার পরও কি মন্ত্রিত্ব পেতে যাওয়া পাপন বিসিবির দায়িত্বে বহাল থাকবেন? উত্তরটা অনেকের কাছে ‘না’-ই হতে পারে। মন্ত্রিত্ব পাওয়ার পর পাপন বিসিবি সভাপতির পদ ছাড়লে কে পাবেন দায়িত্ব? এই প্রশ্নে অনেকেই হয়তো সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা কিংবা সাকিব আল হাসানের কথা ভাবছেন। কিন্তু এই মুহূর্তে তাদের বিসিবির সভাপতি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কেউ সভাপতি প্রার্থী হতে চাইলে প্রথমেই তাকে জেলাভিত্তিক ক্লাব কিংবা আঞ্চলিক ক্রিকেট সংস্থাগুলোর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হতে হয়, এরপর হতে হয় বিসিবি পরিচালক। ম্যাশ-সাকিব; বিসিবিতে দুজনের কারোরই পরিচালকের পদ নেই। ফলে সভাপতি নির্বাচনে প্রার্থীও হতে পারছেন না তারা।
এই মুহূর্তে পাপন দায়িত্ব ছাড়লে মাশরাফী ও সাকিবের সুযোগ না থাকায় বিসিবির বর্তমান পরিচালকদের মধ্য থেকে একজন সভাপতি নির্বাচিত হতে পারেন।
বিপি/টিআই
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি