অধরাই রয়ে গেল জয়
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: আন্দ্রে রাসেলের করা ইনিংসের শেষ ওভারের জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ছিল ১৩ রান। লিটন দাসের বিদায়ে সেই দায়িত্ব পুরোটাই এসে পড়ে ক্যাপ্টেন মাহমুদউল্লাহর কাঁধে। শেষ মুহূর্তে সমীকরণটি এসে দাঁড়ালো ১ বলে ৪ রানে। আন্দ্রে রাসেলও বলটি করলেন অফ স্ট্যাম্পের বাইরে সেই চ্যানেলে, যেখানে মাহমুদউল্লাহর পক্ষে বলটি মিস করা ছাড়া কিছুই করার ছিল না। এই ব্যর্থতায় মিস হয়ে গেল সুপার টুয়েলভে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা। জয়টা রয়ে গেল অধরা।
অথচ সাকিব, নাঈমের উইকেট হারানোর পর লিটন দাসকে সাথে নিয়ে সৌম্য কিছুক্ষণ ভালো সময় উপহার দিয়েছিলেন বাংলাদেশকে। এই দুজনের ৩১ রানের জুটি ভাঙে সৌম্য সরকারের বিদায়ে। তারপর উইন্ডিজের মিস ফিল্ডিং এবং লিটন-মুশফিকের ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে জয়টাকে যখন মনে হচ্ছিল বেশ কাছে, তখনই স্কুপ করতে গিয়ে রবি রামপলের বলে বোল্ড হলেন মুশফিক। দলে টেকনিক্যালি সবচেয়ে ভালো ব্যাটারই যখন এমন ব্যাকরণ বিরোধী শট খেলতে গিয়ে আউট হয়, তখন মাহমুদউল্লাহর বলা সেই পাওয়ার হিটিংয়ের চেয়ে দক্ষতাকে প্রাধান্য দেয়ার বক্তব্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
শেষে লিটন দাসের ৪৩ বলে ৪৪ রানের ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে বাউন্ডারি লাইনে সাড়ে ছয় ফুট উচ্চতার জেসন হোল্ডারের লাফিয়ে ধরা ক্যাচে, যেখানে অনায়াসে বল সীমানা পাড়ি দিচ্ছিল বাংলাদেশের জয় ও লিটন দাসের হাফ সেঞ্চুরির আশা নিয়ে। শেষ পর্যন্ত কোনোটিই হয়নি। মাহমুদউল্লাহর ২৪ বলে ৩১ রানের ইনিংসটিও পারেনি ক্যাপ্টেনস নক হতে, পারেনি বাংলাদেশকে অতিকাঙ্ক্ষিত জয় এনে দিতে। যমুনা টিভি।
বিপি/আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি