নিউ ইয়র্ক পুলিশের কাছে মামদানি ক্ষমা চেয়েছেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি
ইমা এলিস: নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র পদপ্রার্থী জোহরান মামদানি এবিসির টক শো ‘দ্য ভিউ’-তে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হন। তাঁর অতীতের ‘ডিফান্ড দ্য পুলিশ’ সমর্থন ও এনওয়াইপিডি (নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগ)-এর সমালোচনার বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
মামদানি জানান, তিনি এখন সেই অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। তিনি বলেন, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপের মাধ্যমে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে। মমদানির বক্তব্য, 'জননিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার দুটিই একসঙ্গে সাধনা করা উচিত।'
তবে মামদানি এখনো পর্যন্ত এনওয়াইপিডিকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ্যে কোনো ক্ষমা চাননি। অনুষ্ঠানের সহ-সঞ্চালক অ্যালিসা ফারাহ গ্রিফিন প্রশ্ন তোলেন ভোটাররা কীভাবে তাঁর অবস্থান পরিবর্তনে আস্থা রাখবেন এবং পুলিশ কর্মকর্তারা কি তাঁর কাছ থেকে ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য নন?
গ্রিফিন প্রশ্ন করেন, নিউইয়র্কবাসী কীভাবে আপনাকে বিশ্বাস করবে যে আপনি কেবল নির্বাচনে জিততে উপদেষ্টাদের পরামর্শেই অবস্থান বদলাচ্ছেন না, অথচ অন্তরে এখনো পুরোনো মতেই আছেন?
এর জবাবে মামদানি বলেন, তাঁরা নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন যে কোনো উপদেষ্টা আমার কানে কথা দিচ্ছেন না। আমি মনে করি, তরুণ একজন নেতা হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়া মানে নিজেকে বিকাশ ও উপলব্ধির জন্য উন্মুক্ত রাখা। আমি এই শহরেই বড় হয়েছি, এবং ছোটবেলা থেকেই নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিয়ে ভাবতাম। প্রায়ই দেখেছি, ন্যায়বিচারকে উপেক্ষা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথ হলো সেটিকে নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িয়ে নেওয়া।
তখন গ্রিফিন ফের জিজ্ঞেস করেন, আপনি কি আনুষ্ঠানিকভাবে এনওয়াইপিডির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন?
মামদানি জবাব দেন, আমি কিছু কর্মকর্তার কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছি।
সহ-সঞ্চালক হুপী গোল্ডবার্গ মামদানির আত্মসমালোচনাকে স্বাগত জানান এবং তাঁর ব্যক্তিগত বিকাশের স্বীকারোক্তি'র প্রশংসা করেন।
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার মামদানিকে আক্রমণ করে তাঁকে 'কমিউনিস্ট' বলে অভিহিত করেছেন। এ বিষয়ি মামদানি বলেন, 'না, আমি একজন গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী। আমি সকল মানুষের মর্যাদায় বিশ্বাস করি।
বিপি/এসএম
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
গুলির শব্দে হোয়াইট হাউস অবরুদ্ধ, সরিয়ে নেওয়া হলো সংবাদকর্মীদের
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি