নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন শার্শা উপজেলা বিএনপি'র নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল হাসান জহির
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
যশোর জেলা প্রতিনিধি: কে হচ্ছেন সভাপতি, কে সম্পাদক, কে হবেন সাংগঠনিক এমন নানা জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সভাপতিের মালা গলায় পরলেন শার্শার কৃতি সন্তান, শার্শা উপজেলা বিএনপির রূপকার, উপজেলা বিএনপির তৃণমূলের প্রাণ, সাবেক ছাত্রনেতা, শার্শা ইউনিয়ন থেকে বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান,ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক, শার্শা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আবুল হাসান জহীর।
সিক্ত হলেন হাজারো নেতাকর্মী ও ভক্তদের ফুলেল শুভেচ্ছায়।দীর্ঘদিন যাবত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন বিভিন্ন জটিলতায় আটকে থাকার কারণে উপজেলা বিএনপি সম্মেলন অনেকটা পিছিয়ে যাই। অবশেষে জেলা বিএনপি হস্তক্ষেপে তড়িঘড়ি করে নির্বাচন না হওয়া ইউনিয়নগুলো সম্মেলন শেষ করে উপজেলা বিএনপি।
তারপর শুরু হয় উপজেলা বিএনপি'র নির্বাচনের তোড়জোড়। সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী থাকায় সম্মেলন নির্বাচনে রূপ নেয়। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন বিভিন্ন পদে একাধিক প্রার্থী যে কারণেই কিছুটা জটিলতায় রূপ নেয় নির্বাচন। শার্শা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যশোর জেলা বিএনপি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছিলেন। সবকিছু বিচার বিবেচনা করে জেলা বিএনপি নির্বাচন না করে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে একটি সুন্দর সুশৃংখল কমিটি উপহার দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করলে সমস্ত প্রার্থীরা একমত পোষণ করেন এবং জেলা বিএনপির উপরে দায়িত্ব অর্পণ করেন।
২৪ জানুয়ারি শুক্রবার জেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাবিরুল হক সাবু কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক পত্রে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি প্রকাশ করেন। নব নির্বাচিত কমিটিতে শার্শা উপজেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচিত হয়েছেন, সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব জনাব খায়রুজ্জামান মধু, সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন, সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক জনাব আবুল হাসান জহির, সহ- সভাপতি মোঃ রূহূল কুদ্দুস ( সাবেক চেয়ারম্যান), সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব মোঃ নুরুজ্জামান লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা বিএনপির সদস্য এ্যাডঃ মোস্তফা কামাল মিন্টু,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ তাজউদ্দীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আলী বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপজেলা বিএনপির সন্মানিত সদস্য আলহাজ্ব আশরাফুল আলম বাবু,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সালাউদ্দিন আহমেদ, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রউফ মন্টু,ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক শরিফুজ্জামান পরাগ।
সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই বিএনপি,বিএনপির অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন পর্যায়ের জন সাধারণের কাছ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হচ্ছেন উপজেলা বিএনপির নব নির্বাচিত সভাপতি শার্শা উপজেলা বিএনপি'র প্রাণপুরুষ জননেতা আবুল হাসান জহির।
গত কয়েক দিনে বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ভেতর আনন্দের উৎসব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।ফুল হাতে মালা হাতে শার্শা উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন বিএনপি'র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সমর্থকরা। নেতার সভাপতি হওয়ার আনন্দের ভাসছেন তারা। শার্শা উপজেলা বিএনপিতে এখন চলছে বাঁধভাঙ্গা আনন্দে উৎসব।
শুভেচ্ছা জানাতে ছুটে আসা নেতাকর্মীরা বলছেন, আমাদের প্রাণের চাওয়া পুরণ হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম আবুল হাসান জহির সভাপতি হয়ে শার্শা বিএনপিকে আরও ত্বরান্বিত করুক।জেলা বিএনপিকে সাধুবাদ জানাচ্ছে তৃণমূলের নেতা ও কর্মী, সমার্থকরা। তারা বলছেন, এতদিন উপজেলা বিএনপির মধ্য যে ছোটখাটো সমস্যা ছিলো জেলা বিএনপির হস্তক্ষেপে একটি সৃজনশীল কমিটি হওয়ায় তার নিরসন হবে।
আগামী জাতীয় নির্বাচনে শার্শা আসনে বিএনপি কে বিজয়ী করতে এই কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আগামী নির্বাচনে শার্শা কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের প্রতীক যে নেতার হাত দিয়ে আসবে সকলে মিলে সেই নেতাকে বিজয়ী করার জন্য সকলকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যেতে হবে।
একান্ত সাক্ষাৎকারে নব নির্বাচিত উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহীর বলেন, ছাত্রদল দিয়ে ছাত্র রাজনীতির হাতে খড়ি তারপর বিএনপি। বিএনপি কে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং একটি সুন্দর প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার জন্য আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। যখন যে পদ পেয়েছি পদ টা বড় মনে না করে সংগঠনটাকে বড় মনে করেছি। দলটাকে বড় মনে করেছি এবং সেভাবে দলের জন্য, সাধারণ মানুষের জন্য, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের জন্য কাজ করেছি।
দলের জন্য একাধিকবার জেল খেটেছি বহুবার মার খেয়েছি রক্তাক্ত হয়েছি একাধিক মামলা কাঁধে নিয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছি। তখনও নেতা কর্মীদের খোঁজ নিতে বিভিন্ন প্রান্তে ছুটেছি। কখনো হাসপাতাল, কখনো জেলখানা, কখনো রাজপথ এভাবেই দলীয় কার্যক্রম করেছি। বিরোধী দলের রক্তচক্ষু কখনো ভয় পাইনি। জেলে থাকা অবস্থায় আমার আদরের সন্তান মারা গিয়েছে তাকে দেখতেও পাইনি।
ব্যবসা-বাণিজ্য সব শেষ হয়েছে তবুও দলের কার্যক্রম থেকে বিন্দু পরিমান সরে যায়নি। যে কারণেই আজ জেলা বিএনপি আমাকে মূল্যায়ন করেছে। আমি জেলা বিএনপির সহ উপজেলা বিএনপি'র সকলের কাছে কৃতজ্ঞ। আমি যেন আগামী দিনে আমার পদের যথাযথ মর্যাদা রাখতে পারি সকলের কাছে সেই দোয়া প্রত্যাশা করি।
আগামী জাতীয় নির্বাচনে আমি ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী। দলীয়ভাবে যদি আমাকে মনোনীত করা হয় ইনশাআল্লাহ আমি শার্শাকে একটি মডেল ও আধুনিক উপজেলা হিসাবে গড়ে তুলবো।
বিপি/টিআই
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
রাজনীতি
আমার জানাজা পড়ানোর জন্য ওয়াহাবি বা জামায়াতের প্রয়োজন নেই: ফজলুর রহমান
২ দিন আগে
by বাংলা প্রেস
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি