১০ মে ২০২৬

নীলফামারীতে হবে চীন সরকারের হাসপাতাল

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
নীলফামারীতে হবে চীন সরকারের হাসপাতাল
নীলফামারী প্রতিনিধি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর জানিয়েছেন, নীলফামারীতে চীন সরকারের উদ্যোগে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। ডা. মো. আবু জাফর বলেন, প্রাথমিকভাবে নীলফামারী জেলায় এটা নির্মাণের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। শিগগির এর কাজ শুরু হবে। স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারীদের আরও যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সীমিত জনবল ও সামগ্রী থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসক-নার্স-কর্মচারীরা তাদের নিরলস প্রচেষ্টায় জনগণের সেবা করে আসছেন। রোগীদের প্রতি তাদের আরও যত্নবান হতে হবে। স্বাস্থ্য ক্যাডারে ৩৭ হাজার পদ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কিন্তু গ্রেড ওয়ান পদ রয়েছে একটি। এ ছাড়া সাত হাজার সুপার নিউমারি পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। অতি দ্রুত সে পদগুলোয় নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়া হবে। তা ছাড়া তিন হাজার চিকিৎসকদের ফাইল অনুমোদিত হয়েছে। দ্রুত তা বাস্তবায়ন করে সবার পদোন্নতি দেওয়া হবে। হাসপাতালে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের বিষয়ে অগ্রগতি আছে কিনা, চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হলে ডিজি বলেন, শিগগিরই তা বাস্তবায়ন করা হবে। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর রাশেদ মনিরের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও অধ্যাপক জিয়াউর রহমান চৌধুরী, হাসপাতালের উপপরিচালক সৌমিত্র চক্রবর্তী, সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম, মো. বদরুল আমিনসহ বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। [বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।] বিপি/টিআই    
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি