১০ মে ২০২৬

দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা, কারণ জানাল বিএসএফ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ০২:০৭ পিএম
দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা, কারণ জানাল বিএসএফ

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ত্রিপুরা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে কলেজ ছাত্রসহ দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৮ মে) গভীর রাতে ত্রিপুরার সেপাহিজালা জেলার কমলাসাগর সীমান্ত ফাঁড়ির অন্তর্গত নবীনপাড়া ও বঙ্গবন্ধের মধ্যবর্তী সীমান্ত কাঁটাতারের বেড়ার কাছে এ ঘটনা ঘটে। কাঁটাতারের এপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার ধজনগর সীমান্ত। বিএসএফের দাবি, নিহতরা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং আত্মরক্ষার্থে তাদের সদস্যরা গুলি চালিয়েছে।

শনিবার (৯ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। এতে বলা হয়, নিয়মিত টহলের সময় বিএসএফ সদস্যরা ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দলকে অন্ধকারের মধ্যে সীমান্তের বেড়া পার করে পণ্য আদান-প্রদান করতে দেখেন। দুই দেশের স্থানীয় কিছু বাসিন্দার সহায়তায় এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিএসএফের দাবি, টহলরত সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্দেহভাজনরা তাদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ সদস্যরা গুলি চালাতে বাধ্য হন। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন দুই বাংলাদেশি।

পরে বিএসএফের পরিচালিত তল্লাশি অভিযানে আহত অবস্থায় দুইজনকে উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন- নবীন হোসেন (৪০) ও মো. মোরসালিন (২০)। এরপর তাদের দ্রুত বিশালগড় হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন তাদের।

এ ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় গ্রামবাসীদের চোরাচালানে সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে তারা। ভারতীয় পুলিশ জানায়, মৃত্যুর আগে ওই দুই ব্যক্তি নিজেদের বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে পরিচয় দেন এবং চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেন।

শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের মরদেহ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে ভারতীয় ভূখণ্ডে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি