৬ মে ২০২৬

মার্কিন নির্বাচন: দ্রুত কমছে বাইডেন-ট্রাম্পের ব্যবধান

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
মার্কিন নির্বাচন: দ্রুত কমছে বাইডেন-ট্রাম্পের ব্যবধান
ছাবেদ সাথী : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে গত দুই সপ্তাহ আগে বড় দুই প্রার্থীর মধ্যে যে বিশাল ব্যবধান দেখা গিয়েছিল ক্রমেই তা কমে আসছে। নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বদলে যাচ্ছে সকল জরিপের ফলাফল। গত দু'দিনেই কয়েক সপ্তাহের জরিপের বিরাট পরিবর্তন ঘটছে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রধান দুই প্রার্থীর জনপ্রিয়তা নিয়ে এতদিনের জরিপ মাঠে মারা যেতে বসেছে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ক্রমান্বয়ে বাইডেনের কাছাকাছি উঠতে থাকায়। সোমবার পর্যন্ত টেক্সাসে বাইডেনকে ছাড়িয়ে গেছেন ট্রাম্প। জর্জিয়া, ফ্লোরিডা, মিশিগানেও কাছাকাছি এসেছেন ট্রাম্প। পেনসিলভেনিয়ায় বাইডেনের চেয়ে বেশি ভোট পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন ট্রাম্প। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এর ফলে গত নির্বাচনের মতো এবারের চূড়ান্ত নির্বাচনের পর সব হিসাব পাল্টে যেতে পারে। দক্ষিণাঞ্চলের অঙ্গরাজ্যগুলো-জর্জিয়া, টেক্সাস, ফ্লোরিডায় বাইডেনের খুব কাছাকাছি এসেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মিশিগানেও ট্রাম্পের অবস্থান ক্রমান্বয়ে দৃঢ় হচ্ছে। নিউ ইয়র্কের পার্শ্ববর্তী পেনসিলভেনিয়ায় নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াতে ঘনঘন সমাবেশ করে যাচ্ছেন ট্রাম্প। সোমবার প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যে এমন আভাস পাওয়া গেছে। জরিপকারী সংস্থাগুলো এখন আগাম ভোটের গতি-প্রকৃতি নজরে রেখেছে। কারণ, ২০১৬ সালের নির্বাচনে যত আগাম ভোট পড়েছিল তার চেয়ে ১৩৩% বেশি ভোট পড়েছে সোমবার পর্যন্ত। এ পর্যন্ত ৬ কোটি ২৭ লাখ ভোট জমা হয়েছে ডাকযোগে এবং আগাম ভোট কেন্দ্রে। অথচ নির্বাচনের বাকি এখনো ৭ দিন। করোনাভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে প্রায় সবাই আগাম ভোটকে নিরাপদ ভাবছেন। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ডাকযোগে ভোট এবং আগাম ভোটের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম কারচুপির জিগির তুললেও তিনি নিজে যেমন আগাম ভোট দিয়েছেন, তেমনই ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রিপাবলিকানরাও লাইনে দাঁড়িয়েছেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে বলা হয়েছে, ২২ অক্টোবর পর্যন্ত আগাম ভোট কেন্দ্রে যত মানুষ এসেছিলেন, সে সংখ্যা ২০১৬ সালের মোট সংখ্যার সমান। এরপর পার হলো চার দিন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা মানুষ লাইনে ভোট দিচ্ছেন ডেমোক্র্যাটদের স্টেট নিউ ইয়র্কেও। অনেক আগে সিটিজেনশিপ নেওয়া সত্ত্বেও যারা আগে ভোট কেন্দ্রে যেতে আগ্রহী ছিলেন না তেমন বাংলাদেশি তথা দক্ষিণ এশিয়ানদেরও শত শত ভোটারের লাইনে দেখা যাচ্ছে নিউ ইয়র্ক, পেনসিলভেনিয়া, ফ্লোরিডা, টেক্সাসে। জানা গেছে, ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী নানা পদক্ষেপে অতিষ্ঠ হয়ে সবাই বাইডেনের পক্ষে মাঠে নেমেছেন। বিশেষ করে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসকে রানিংমেট করায় ডেমোক্র্যাটদের প্রতি এশিয়ানরাও ঝুঁকে পড়েছেন বলে সবার ধারণা। নির্বাচন বিশ্লেষকরা মনে করেন, আগাম ভোটের এ ধারা ১ নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকলে ২০১৬ সালের মোট ভোট ১৩ কোটি ৯০ লাখকেও ছাড়িয়ে যাবে। এদিকে,গত ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ১৩টি স্যুইয়িং স্টেটেই বাইডেন এগিয়ে ছিলেন। করোনায় বিপর্যস্ত আমেরিকানদের ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে ‘করোনা স্টিমুলাস বিল’ নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ডেমোক্র্যাটদের নানা বাহানায় অতিষ্ঠ স্বল্প আয়ের মানুষ আর ছোট ও মাঝারি তহবিলের ব্যবসায়ীরা। বেকার ভাতার পরিমাণ নিয়ে দর-কষাকষিতে ডেমোক্র্যাটরা অনড় থাকায় এখন পর্যন্ত একটি পেনিও পেলেন না অসহায় মানুষ। উল্লেখ্য, গত মার্চে করোনা রিলিফ বিল অনুযায়ী ৩১ জুলাই পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে একেকজন ৬০০ ডলার করে পেয়েছেন ফেডারেল তহবিল থেকে। সঙ্গে যোগ হয়েছে স্টেট থেকে দেওয়া অর্থ। অর্থাৎ একেকজন কমপক্ষে ৮০০ ডলার করে পেয়েছেন প্রতি সপ্তাহে। কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা আগস্ট থেকে পুনরায় একইহারে বেকার ভাতার বিল পাস করেন প্রতিনিধি পরিষদে। অপরদিকে ট্রাম্পের রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত সিনেট চাচ্ছিল সপ্তাহে সর্বোচ্চ সাড়ে চার শত ডলার। প্রথমে তারা তিন শত ডলারের প্রস্তাব দেয়। এরপর ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে দর-কষাকষির এক পর্যায়ে ৪৫০ ডলারে সম্মত হয়। ডেমোক্র্যাটরা অনড় থাকায় সে আলোচনা ভেস্তে গেছে। এর দায় বর্তাচ্ছে ডেমোক্র্যাটদের ওপর। নির্বাচনে এর প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ধারণা। গত নির্বাচনে নারী হিসেবে আমেরিকানদের অধিকাংশই (ডেমোক্র্যাটসহ) হিলারি ক্লিনটনকে পছন্দ করেননি। আর এবার স্প্যানিশ আর কিউবান কৃষ্ণাঙ্গদের বড় একটি অংশ বাইডেনকে পছন্দ করছেন না। ওবামার সঙ্গে টানা ৮ বছর ভাইস প্রেসিডেন্ট থেকেও অবৈধ অভিবাসীদের জন্য কার্যত কিছুই করেননি বাইডেন। নির্বাচনের ময়দানে এ অভিযোগ ক্রমে চাঙ্গা হচ্ছে। সর্বশেষ বিতর্কে ট্রাম্পও একই ঘটনার অবতারণা করেছিলেন। যদিও করোনা মহামারীকে যথাযথভাবে মোকাবিলায় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।এ বিষয়টি ভোটারের মধ্যে সদা জাগ্রত রয়েছে। নির্বাচনপূর্ব বিভিন্ন জনমত জরিপের তথ্যমতে, এবারের নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে ভোট দেওয়ার আগ্রহ অন্য যেকোনো নির্বাচনের চেয়ে বেশি। সর্বশেষ জনমত জরিপে অংশ নেওয়া নিবন্ধিত ভোটারদের ৮৮ শতাংশই জানান, তাঁরা এবার ভোট দেবেন। ২০১৬ সালের অক্টোবরে এ হার ছিল ৮৩ শতাংশ। নির্বাচনের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা ও বিশ্লেষণকারী ওয়েবসাইট ফাইভথার্টিএইটের পূর্বাভাস বলছে, এবার ১৫ কোটি ৪০ লাখের মতো ভোট পড়তে পারে। গেলবার ১৪ কোটি ভোট পড়ার পূর্বাভাস দিয়েছিল ওয়েবসাইটটি। নির্বাচনের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা ও বিশ্লেষণকারী ওয়েবসাইট ফাইভথার্টিএইটের পূর্বাভাস বলছে, এবার ১৫ কোটি ৪০ লাখের মতো ভোট পড়তে পারে। গেলবার ১৪ কোটি ভোট পড়ার পূর্বাভাস দিয়েছিল ওয়েবসাইটটি। সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে এবার ভোট দেওয়ার হার সর্বোচ্চ হতে পারে। শতাংশের হিসাবে ১৯৭১ সালে ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী ভোটারদের সর্বোচ্চসংখ্যক ভোট দিয়েছিলেন। সিএনএনের বিশ্লেষণে বলা হয়, ভোট বেশি পড়লে এর অবধারিত প্রভাব হিসেবে জনমত জরিপগুলোর ফলের প্রভাব বেড়ে যায়। ভোট পড়ার হার কম হলে নির্বাচনের ফল নিয়ে পূর্বানুমান করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণেই দুই দলের প্রার্থী বাছাই ও স্থানীয় নির্বাচনগুলোর ফল আগে থেকে বোঝাটা কঠিন হয়। কারণ, এসব নির্বাচনে ভোটার অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম। আবার নিবন্ধিত ভোটারদের শনাক্ত করাটা সম্ভাব্য ভোটারদের চেয়ে সহজ। ভোট পড়ার হার বেড়ে গেলে এই দুই ধারা মিলে যায়। ফলে জনমত জরিপগুলোর পক্ষে আগে থেকে নির্বাচনের ফল অনুমান করা সহজ হয়। এবারের ভোটে আরও কিছু প্রবণতা চোখে পড়ছে। সিএনএন জানায়, নর্থ ক্যারোলাইনা ও ফ্লোরিডায় এবারের আগাম ভোটে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেখা গেছে। এ দুই অঙ্গরাজ্যে সরাসরি ভোট দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রিপাবলিকান সমর্থকের সংখ্যা বেশি। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা বেশি দিচ্ছেন ডাকযোগে ভোট। পেনসিলভানিয়াতেও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অন্য বছরগুলোয় ঠিক উল্টো প্রবণতা দেখা গেছে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, সব অঙ্গরাজ্যের ভোটারদের মধ্যে আগাম ভোট দেওয়ায় এত আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত যে ৬ কোটি ৪০ লাখের বেশি ভোট পড়েছে, তার প্রায় অর্ধেকই পড়েছে সবচেয়ে প্রতিযোগিতাপূর্ণ ১২টি অঙ্গরাজ্যে। এই ১২ অঙ্গরাজ্যেই এবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এই ১২ অঙ্গরাজ্যে গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যতসংখ্যক ভোট পড়েছিল, তার অর্ধেকই এর মধ্যে দেওয়া হয়ে গেছে। আগাম ভোটের বিষয়ে রিপাবলিকানদের তুলনায় ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে আগ্রহ বেশি। ব্যাটলগ্রাউন্ড হিসেবে পরিচিত পাঁচটি সুইং স্টেটে রিপাবলিকানদের চেয়ে প্রায় ২০ লাখ বেশি ডেমোক্র্যাট ভোট দিয়েছেন ইউনাইটেড স্টেটস ইলেকশনস প্রোজেক্টের তথ্যমতে, ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যত ভোট পড়েছিল, তার ৪৬ শতাংশই আগাম ভোট হিসেবে এবার দেওয়া হয়ে গেছে। এ বছর করোনাভাইরাসের কারণে এবার বহু অঙ্গরাজ্যই নিজেদের ভোট দেওয়ার নিয়মে কিছু বদল এনেছে। ভোটের দিনে ভিড় এড়াতে বেশ কয়েকটি অঙ্গরাজ্য প্রথমবারের মতো ডাকযোগে ভোটের সুযোগ করে দিয়েছে। আবার বেশ কয়েকটি ভোটের নির্ধারিত দিনের আগে সরাসরি আগাম ভোট দেওয়ার সুযোগ অবারিত করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ট্রাম্প-সমর্থক ও ট্রাম্প-বিরোধী গোষ্ঠীর মধ্যে ভোট প্রদানের বাড়তি আগ্রহের বিষয়টি। আগাম ভোটের বিষয়ে রিপাবলিকানদের তুলনায় ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে আগ্রহ বেশি। ব্যাটলগ্রাউন্ড হিসেবে পরিচিত পাঁচটি সুইং স্টেটে রিপাবলিকানদের চেয়ে প্রায় ২০ লাখ বেশি ডেমোক্র্যাট ভোট দিয়েছেন। ২০১৬ সালে যে পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে অল্প ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন ট্রাম্প, এবার সেখানে পড়া আগাম ভোটে অনেক এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা। অঙ্গরাজ্যটিতে যতসংখ্যক রিপাবলিকান আগাম ভোট দিয়েছেন, তার তিনগুণ দিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। রিপাবলিকান অঙ্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত টেক্সাসেও এবার প্রচুর আগাম ভোট পড়েছে। ২০১৬ সালে অঙ্গরাজ্যটিতে পড়া মোট ভোটের ৮০ শতাংশের বেশি এরই মধ্যে দেওয়া হয়ে গেছে। আর অ্যারিজোনা, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, নেভাদা ও নর্থ ক্যারোলাইনায় পড়েছে গত নির্বাচনে পড়া মোট ভোটের ৬০ শতাংশের বেশি। সুইং স্টেটগুলোয় ২০১৬ সালে পড়া মোট ভোটের হিসাবে ফ্লোরিডায় ৬৩, নর্থ ক্যারোলাইনায় ৬৭, ওহাইওতে ৩৯, মিশিগানে ৪৩, পেনসিলভানিয়ায় ২৮, অ্যারিজোনায় ৬০, উইসকনসিনে ৪৫ ও আইওয়ায় ৪৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্য হিসেবে বিবেচিত জর্জিয়ায় ৬৬, মিনেসোটায় ৪০, নেভাদায় ৬৬ ও টেক্সাসে ৮২ শতাংশ ভোট এরই মধ্যে পড়েছে। করোনার কারণে প্রথমবারের মতো আগাম ভোটের সুযোগ দেওয়া অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে নিউইয়র্ক অন্যতম। এ অঙ্গরাজ্যে এরই মধ্যে ৪ লাখ ২২ হাজার ভোট পড়েছে, যা ২০১৬ সালে পড়া মোট ভোটের ৫ শতাংশ। অঙ্গরাজ্যটিতে মাত্রই আগাম ভোট শুরু হয়েছে, চলবে ১ অক্টোবর পর্যন্ত। ফলে নিউইয়র্কের মতো অঙ্গরাজ্যগুলোয় আরও বহু আগাম ভোট পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষত ডেমোক্র্যাট হিসেবে পরিচিত অঙ্গরাজ্যগুলোয় আগাম ভোট পড়ার হার বেশি। বিপরীতে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন বেশি এমন অঙ্গরাজ্যগুলোয় আগাম ভোট পড়ার হার কম। বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি