১০ মে ২০২৬

মার্চ ফর গাজা: বিনামূল্যে পানি-শরবত বিতরণ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
মার্চ ফর গাজা: বিনামূল্যে পানি-শরবত বিতরণ
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: মার্চ ফর গাজা কর্মসূচিতে অংশ নিতে সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হচ্ছেন হাজারো মানুষ। তীব্র গরমে সমাবেশে আসা লোকদের স্বস্তি দিতে বিনামূল্যে পানি ও শরবত বিতরণ করছেন অনেকেই। কেউ ব্যক্তি উদ্যোগে বিনামূল্যে পানি বিতরণ করছেন, আবার কেউ কেউ বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে পানি-শরবত বিতরণ করছেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ আশপাশের সমাবেশস্থল ঘুরে দেখা যায়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশমুখের পাশেই ট্রাকে করে বিনামূল্যে পানি ও শরবত দিচ্ছে ‘তাওহীদ’ নামের একটি ফাউন্ডেশন। এছাড়াও ব্যক্তি উদ্যোগে বিভিন্ন জায়গার মোড়ে বিনামূল্যে পানির বোতল বিতরণ করা হচ্ছে। তীব্র গরমে স্বস্তি পেতে অনেকেই নির্দ্বিধায় তৃপ্তি সহকারে বিনামূল্যের এসব পানি ও শরবত পান করছেন। সমাবেশে আসা হৃদয় নামের একজন বলেন, ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে আমরা এখানে এসেছি। কিন্তু রোদের তীব্রতায় তৃষ্ণাও পাচ্ছে। তাই বিনামূল্যের এই শরবত খেলাম। যারা এই মহতি উদ্যোগ নিয়েছেন, তাদের অনেক ধন্যবাদ। ফিরোজ আহমেদ নামের আরেকজন বলেন, সাধারণ ছোট পানির বোতল বা এক গ্লাস শরবত ২০ টাকা। সেখানে বিনামূল্যে পানি-শরবত বিতরণ করা হচ্ছে। এটা অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক। এই সমাবেশে এসে বাংলাদেশের মানুষের মাঝে যেই সম্প্রীতি বিরাজ করে তার সুস্পষ্ট প্রমাণ দেখলাম। পানি-শরবত বিতরণ করা তাওহীদ ফাউন্ডেশনের এক কর্মী বলেন, ‘মার্চ ফর গাজা’ কর্মসূচিতে আগত মানুষদের একটু স্বস্তি দিতেই আমাদের এ আয়োজন। তাছাড়া আমরা চাই, সবাই ইসরায়েলি পণ্য বয়কট করুক।’ টিএসসি মোড়ে বিনামূল্যে পানি বিতরণ করা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগ। আমার মনে হল এই গরমে সবার পানি তৃষ্ণা লাগবে। তাই আমার যতটুকু সামর্থ্য ছিল আমি তার মধ্যে কিছু করার চেষ্টা করেছি।’ [বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।] বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি