৬ মে ২০২৬

লোডশেডিং সরকারের ডাকাতির ফসল : খন্দকার মোশাররফ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
লোডশেডিং সরকারের ডাকাতির ফসল : খন্দকার মোশাররফ
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, বিদ্যুতখাতে ডাকাতির জন্য কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমান লোডশেডিং সরকারের ডাকাতির ফসল। বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশে আজ বিদ্যুতের অবস্থা, লোডশেডিং পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনারা জানেন। বিদ্যুতখাতে ডাকাতির জন্য কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে। বিদ্যুতের বিষয়ে কেউ যাতে কিছু বলতে না পারে বা আইনের আশ্রয় নিতে পারে সেজন্য তারা পার্লামেন্টে ইনডেমনিটি আইন পাস করে বিদ্যুৎ খাতে ডাকাতি করার সুযোগ করে দিয়েছে। সেই ডাকাতির ফসল বর্তমানের লোডশেডিং। তিনি বলেন, গ্রামে-গঞ্জে প্রায় ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, শহরে ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। অথচ প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, লোডশেডিংকে তিনি মিউজিয়ামে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তাহলে কেন বিদ্যুতের এই লোডশেডিং জনগণের প্রশ্নের জবাব সরকারকেই দিতে হবে। মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশকে বাঁচাতে হলে সরকার পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই। তারা গণতন্ত্র হত্যা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, দেশ থেকে টাকা পাচার, বিদ্যুতের লোডশেডিং, ডলার পাচারের জন্য দায়ী। তাদেরকে ক্ষমতায় রেখে এই সংকট উত্তরণ সম্ভব নয়। এ কথা বিএনপি, বিরোধী দল, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের কথা নয়, এটা দেশের মানুষের দাবি। এই সরকারকে হটানো বা পদত্যাগে বাধ্য করানো ছাড়া বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, আপনারা দেখেছেন বিএনপির সমাবেশে কিভাবে বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে। এটাকে কী গণতান্ত্রিক দেশ বলতে পারেন? আমি খুলনার বিভাগীয় সমাবেশে ছিলাম। দুইদিন আগে বাস-লঞ্চসহ সকল প্রকার যানবাহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি নৌকা পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তারপরও খুলনায় জনগণের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। তারা সবাই আমাদের নেতাকর্মী ছিলো না, সাধারণ মানুষও ছিলো। প্রত্যেকটি জনসমাবেশে সাধারণ মানুষ নেমে আসছে। আলোচনা সভায় বিএফইউজের সভাপতি এম আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে ও ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন দৈনিক নয়া দিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, শওকত মাহমুদ, ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, বিএফইউজের মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ডিআরইউ’র সাবেক সভাপতি মোরসালিন নোমানী, বিএফইউজের সহ-সভাপতি মোদাব্বের হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক খুরশীদ আলম প্রমুখ। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি