করোনায় মৃতের সংখ্যা ৮৯৬১

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল পর্যন্ত একদিনে ৯৭৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এতে মোট মৃতের সংখ্যা ৮ হাজার ৯৬১ জনে পৌঁছেছে। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৫ হাজার ৬৭৩ জন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, উৎপত্তিস্থল চীন ছাড়াও বিশ্বের মোট ১৭৩টি দেশে মরণঘাতী ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে। তাছাড়া ঝুঁকিতে আছে আরও অনেক দেশ। এতে বিশ্বজুড়ে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ১৯ হাজার ছাড়িয়েছে। যাদের মধ্যে ইতালি, ইরান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। এমন অবস্থায় বিশ্বজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
চলমান সংকটময় পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রেও সতর্কতা জারি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাবকে ‘মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে ডব্লিউএইচও। তাছাড়া ইউরোপকে প্রাণঘাতী ভাইরাসটির কেন্দ্রস্থল বলেও দাবি করেছে সংস্থাটি।
চীনের চেয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোতে প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুহার বাড়তে থাকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়াসিস ঘোষণাটি দেন।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, শুধু চীনের মূল ভূখণ্ডেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ৯২৮ এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ২৪৫ জনের। চীনের পর সবচেয়ে বেশি লোকের মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে। দেশটিতে একদিনেই ৪৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৭৮ জনে। এমন প্রেক্ষাপটে দেশটিতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩৫ হাজার ৭১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। তাই দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছে দেশটির সরকার।
এর পরের অবস্থান ইরানের। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ৩৬১ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তাছাড়া মারা গেছেন ১১৩৫ জন।
এ দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৩৭১ জন, আর প্রাণ গেছে ১৫৩ জনের। স্পেনে আক্রান্ত ১৪ হাজার ৭৬৯ জনের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৬৩৮ জনের। সুইজারল্যান্ডে আক্রান্ত ৩ হাজার ১১৫ এবং মারা গেছেন ৩৩ জন। যুক্তরাজ্যে আক্রান্ত ২ হাজার ৬২৬ ও মৃতের সংখ্যা ১০৪। তাছাড়া ফ্রান্স, জার্মানি ও জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক লোক প্রাণঘাতী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
গুলির শব্দে হোয়াইট হাউস অবরুদ্ধ, সরিয়ে নেওয়া হলো সংবাদকর্মীদের
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি