৫ মে ২০২৬

করোনায় একদিনে মৃত্যুর সর্বোচ্চ রেকর্ড ইতালিতে

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
করোনায় একদিনে মৃত্যুর সর্বোচ্চ রেকর্ড ইতালিতে

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের থাবায় মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে ইউরোপের দেশ ইতালি। প্রাণঘাতী ভাইরাসটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মারা গেছেন আরও ৪৭৫ জন। এখন পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় একদিনে এটাই সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এর আগের দিন দেশটিতে মৃত্যু হয়েছিল ৩৪৫, তারও আগের দিন ইতালিতে করোনায় মারা যায় ৩৬৮ জন।

চীনের পর বর্তমানে করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ইতালি। মৃত্যুর সংখ্যার দিক দিয়ে চীনের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে ইতালি। আজ সকাল পর্যন্ত দেশটিতে ২ হাজার ৯৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪ হাজার ২০৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৭১৩ জন।

দেশটিতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মারা যাওয়া লোকের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি উত্তরাঞ্চলীয় শহর লম্বার্ডিয়ায়। অঞ্চলটি এখন এখন মৃত্যুপুরী। গত ২৪ ঘণ্টায় শুধু এ এলাকাতেই মারা গেছেন ৩১৯ জন। স্বজনদের শেষ শ্রদ্ধা জানাতে কবরস্থানগুলোতেও মানুষ প্রবেশ করতে পারছেন না এখানে।

গোটা ইতালি এখন অবরুদ্ধ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জনগণকে আপাতত বাড়ির বাইরে বের না হতে অনুরোধ জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

এমন পরিস্থিতিতে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জিউসেপ্পে কন্তে করোনা সমস্যা উত্তরণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এর মধ্যে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ইউরো ছাড় করেছেন, যা দিয়ে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, নাগরিক পরিষেবা এবং ব্যবসার কাজে সহায়তা করা হবে। এ ছাড়া মঙ্গলবার নতুন একটি হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনায় নাগরিক সুরক্ষা বিভাগের প্রধান বার্তোলাসো মিলানো যান।

ইতালিতে করোনায় মৃত্যুহার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও।

এ পর্যন্ত বিশ্বের অন্তত ১৭০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস। এখন পর্যন্ত সংক্রমণে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৭৮৯ জন। আর প্রাণঘাতী ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন অন্তত ২ লাখ ১২ হাজার ৮৭০ জন। এ পর্যন্ত ৮২ হাজারের বেশি করোনা আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি