৫ মে ২০২৬

করোনা ভাইরাস : মৃতবরণকারী লাশগুলো পুড়িয়ে ফেলছে চীন

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
করোনা ভাইরাস : মৃতবরণকারী লাশগুলো পুড়িয়ে ফেলছে চীন

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: চীনজুড়ে উদ্বেগজনক হারে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতবরণকারী লাশগুলো সমাধিস্থ না করে পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। দেশটির জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের (এনএইচসি) জারি করা আদেশের ভিত্তিতে করোনা ভাইরাসে মৃতদের দেহ সৎকারে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এনএইচসির জারি করা আদেশে বলা হয়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের জন্য বিদায় অনুষ্ঠান বা কোনো ধরনের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না। মৃতদেহ সৎকার চলাকালে কেউ সেখানে থাকতে পারবে না। তবে মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলার পর দেহাবশেষ সংগ্রহ করতে পারবে স্বজনরা।

এদিকে গত শনিবার এনএইচসি এই আদেশ জারির পর থেকে চীনের শবদাহের চুল্লিগুলোতে কাজের চাপে কর্মীদের রীতিমতো নাভিশ্বাস উঠেছে। প্রতিদিনই চুল্লিগুলোতে দাহের জন্য আসা মৃতদেহের সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্মীদের দিনে প্রায় ২৪ ঘণ্টাই কাজ করতে হচ্ছে।

সরকারি হিসেবে, চীনে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে গতকাল বৃহস্পতিবারই ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হুবেই প্রদেশেই ৬৯ জন। এছাড়া এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত সর্বমোট ৬৩৬ জন মারা গেছেন। তবে এ সংখ্যা আরও বেশি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

চীনের বাইরে ফিলিইপাইনে ও হংকংয়ে মারা গেছেন দুইজন। অবশ্য ফিলিপাইনে মারা যাওয়া ব্যক্তিও চীনেরই নাগরিক। এই ভাইরাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৩১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর চীনসহ প্রায় ২৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

এদিকে এ ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বাড়ার কারণে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে চীন। দেশটির নাগরিকদের মাঝে বইছে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা।

বিপি/আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি