৫ মে ২০২৬

ক্রিকেটকে পুরোপুরিই বিদায় শন মার্শের

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
ক্রিকেটকে পুরোপুরিই বিদায় শন মার্শের
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলেছেন ২০১৯ সালে। তখন জানিয়েছেন, ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট চালিয়ে যাবেন আরও কিছুদিন। এবার ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটকেও বিদায় বলে দিলেন এই অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডার ব্যাটার। গত পরশু অস্ট্রেলিয়া প্রিমিয়ার লিগ বিবিএলে নিজ দল মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে মৌসুমের শেষ ম্যাচে সিডনি থান্ডারের বিপক্ষে মাঠে নামেন এই অজি ক্রিকেটার। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে সব পেশাদার ক্রিকেটকে বিদায় জানান এই ৪০ বছর বয়সী ক্রিকেটার। এর আগে গেল মৌসুমে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটও বিদায় জানান তিনি। চলতি বছরে ইনজুরির কারণে বিবিএলে শুরু থেকে মাঠে নামতে পারেননি তিনি। এই মৌসুমে মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে পাঁচ ম্যাচে মাঠে নামেন এই অজি ব্যাটার। সেই ম্যাচগুলোতে তিনটি অর্ধশতকের দেখা পান তিনি। সেই সঙ্গে ব্যাট হাতে করেন ১৮১ রান। সর্বশেষ ম্যাচে গেল শনিবার রাতে ৪৯ বল খেলে করেন অপরাজিত ৬৪ রান। সেই সঙ্গে এই ম্যাচে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডার ব্যাটার। ম্যাচ শেষে নিজের অবসরে যাওয়ার বিষয়ে মার্শ বলেন, ‘আমি রেনেগেডসের হয়ে খেলতে পছন্দ করি, আমি গত পাঁচ বছরে কিছু দুর্দান্ত মানুষের সঙ্গে দেখা করেছি এবং আমি যে বন্ধুত্ব তৈরি করেছি, তা সারা জীবন স্থায়ী হবে। তারা আমার কাছে আশ্চর্যজনক, আশ্চর্যজনক টিমমেট, এমনকি তারা আমার ভালো বন্ধু।’ ‘আমাদের সদস্য ও অনুরাগীরা সেখানে সবচেয়ে উত্সাহী এবং আমি এই যাত্রায় তাদের সমর্থনের জন্য অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আমাদের সঙ্গে এই গ্রুপে প্রচুর প্রতিভাবান ক্রিকেটার রয়েছে এবং আমার কোনো সন্দেহ নেই যে তারা এই টিমকে সামনে নেতৃত্ব দেবে।’ ফ্রাঞ্চাইজিটির কোচ ও কোচিং স্টাফদের ধন্যবাদ জানিয়ে মার্শ বলেন, ‘রেনেগেডসের কোচ ও স্টাফ এবং পর্দার আড়ালে থাকা সবাইকে শুরু থেকে এবং আমার শেষ বছরগুলোতে আমাকে সমর্থন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। এটি মাঝখানে আমার কাজকে কিছুটা সহজ করে তুলেছে।’ শন মার্শ বিবিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকের তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে অবস্থান করছেন। এই টুর্নামেন্টে ৭৯ ম্যাচ খেলে ৩৭.৯০ গড়ে ৭০৫০ রান করেন শন মার্শ। বিপি/টিআই  
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি