৫ মে ২০২৬

কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহল মোদির উপর কোনও চাপ দিচ্ছে না : ইমরান

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
কাশ্মীর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহল মোদির উপর কোনও চাপ দিচ্ছে না : ইমরান

বিদেশ ডেস্ক : কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপর কোনও চাপ নেই। আন্তর্জাতিক মহল নরেন্দ্র মোদির উপর কোনও চাপই দিচ্ছে না। মার্কিন মুলুকে বসে নিজের ব্যর্থতা কার্যত স্বীকার করে নিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ার পর থেকেই এই ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলে ভারতকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন থেকে শুরু করে প্রায় সমস্তরকম আন্তর্জাতিক ফোরামেই অভিযোগ করে পাকিস্তান। কিন্তু, সে অর্থে কিছু করে উঠতে পারেনি ইমরানের দেশ। উলটে অধিকাংশ দেশ নয়াদিল্লির পাশেই দাঁড়িয়েছে। রাশিয়া থেকে শুরু করে আমেরিকা, ফ্রান্সের মতো শক্তিধর দেশগুলি মোদি সরকারের সঙ্গই দিয়েছে। এমনকী রাষ্ট্রসংঘরে মানবাধিকার কমিশনে কাশ্মীর সংক্রান্ত চিনের আনা অভিযোগও খারিজ হয়ে গিয়েছে। এক কথায়, কাশ্মীর নিয়ে কূটনৈতিক মহলে পুরোপুরি ব্যর্থ পাকিস্তান।

এতদিন অবশ্য ইমরান খান এই ব্যর্থতা স্বীকার না করে নিজের দেশে বুক বাজাচ্ছিলেন। অবশেষে আমেরিকায় গিয়ে নিজের কূটনৈতিক ব্যর্থতার কথা স্বীকার করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। মার্কিন মুলুকে বসে পাক প্রধানমন্ত্রী বললেন, “আন্তর্জাতিক মহল আমাকে হতাশ করেছে। এখনও মোদির উপর কোনও চাপই সৃষ্টি করা হয়নি। তবে, আমরা চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা চালিয়ে যাব।” সাংবাদিক বৈঠকে পাক প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি সেদেশ বিদেশমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রসংঘে তাদের স্থায়ী দূতও উপস্থিত ছিলেন। ভারতের উপর আন্তর্জাতিক মহল চাপ সৃষ্টি না করার নালিশ করতে গিয়ে ভারতের অর্থনীতিরও প্রশংসা করে ফেলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। ইমরান বলেন, “গোটা বিশ্ব ভারতকে ১২০ কোটি মানুষের বাজার হিসেবে দেখে। এজন্যই এমনটা হচ্ছে।” আমেরিকায় গিয়ে ইতিমধ্যেই ইমরান মুখ ফসকে স্বীকার করে নিয়েছেন, আল কায়দাকে প্রশিক্ষণ দেয় পাক সেনা। তার পর পাক প্রধানমন্ত্রীর এই স্বীকারোক্তি দেশীয় রাজনীতিতে মোদি সরকারকে অ্যাডভান্টেজ দেবে বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

বিপি/আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি