১০ মে ২০২৬

হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হলেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজসহ ৯০ জন

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হলেন কণ্ঠশিল্পী মমতাজসহ ৯০ জন
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: কটূক্তির প্রতিবাদে মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌরসভার গোবিন্ধল গ্রামে প্রতিবাদ মিছিলে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গুলিতে চারজন নিহত হয়। সেই ঘটনায় দীর্ঘ এক যুগ পর মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমকে প্রধান আসামি করে আওয়ামী লীগের ৫২ নেতা-কর্মী ও ৩৮ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা হয়েছে। মামলায় ৯০ জন আসামি ছাড়াও অজ্ঞাত আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়। ‎বুধবার (৯ অক্টোবর) মানিকগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিহত মাওলানা নাসির উদ্দিনের ভাই মো. শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। ‎মামলার বাকি আসামিরা হলেন- সাবেক পৌর মেয়র মীর মো. শাহজাহান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুশফিকুর রহমান খান হান্নান, সিংগাইর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মাজেদ খান, সাধারণ সম্পাদক শহিদুর রহমান শহীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সায়েদুল ইসলাম, পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু নাঈম মো. বাশার, পৌর প্যানেল মেয়র সমেজ উদ্দিন, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুস সালাম খান, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রমিজ উদ্দিনসহ ৫২ জন। ‎পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, তৎকালীন দায়িত্বে থাকা মানিকগঞ্জের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ ডিবি পুলিশের ওসি মো. মহিবুল আলম, মদন মোহন বণিক, মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম, সিঙ্গাইর থানার এস আই আদিল মাহমুদ, মোজাম্মেল হোসেনসহ ৩৮ জন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে গণজাগরণ মঞ্চ থেকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে ওই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি সিংগাইর পৌরসভার গোবিন্ধল থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। এদিন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা রিভলবার, পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে উপস্থিত হয়ে বাঁধা দেয়। একপর্যায়ে সাধারণ মুসুল্লিদের লক্ষ্য করে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা গুলিবর্ষণ করে। এতে ঘটনাস্থলে গোবিন্ধল গ্রামের মাওলানা নাসির উদ্দিন, আলমগীর হোসেন, নাজিম উদ্দিন ও শাহ আলম নিহত হয়। এতে আহত হয় আরও অর্ধশতাধিক সাধারণ মুসুল্লি। মামলার বাদী মো. শহিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের পক্ষ থেকে মামলা করতে চাইলে পুলিশ মামলা নেয়নি। উল্টো পুলিশ বাদী হয়ে গ্রামবাসী ও স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতের শতাধিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। তাই সুষ্ঠু বিচারের আশায় আওয়ামী লীগ সরকার পতনের একযুগ পরে এসে ৯ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা করেছি। বিপি/টিআই  
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি