৭ মে ২০২৬

গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬২ হাজার

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬২ হাজার
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: গাজার সরকারি তথ্য অফিস জানিয়েছে, নিখোঁজ থাকা ১৪ হাজারের বেশি মানুষকে মৃত বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। এতে উপত্যকাজুড়ে দখলদার ইসরাইলের হামলায় নিহতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০৯ জনে পৌঁছেছে। গাজা তথ্য অফিসের প্রধান সালামা মারুফ রোববার এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যুদ্ধে নিহত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ৭৬ শতাংশের মরদেহ উদ্ধার করে চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। যাদের সংখ্যা ৪৭ হাজার ৪৮৭ জন। তবে এখনো অন্তত ১৪ হাজার ২২২ জন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন বা এমন এলাকায় রয়েছেন, যেখানে উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারেননি। তাদেরকে মৃত বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে। গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতাল থেকে দেওয়া বক্তব্যে সালামা মারুফ জানান, নিহতদের মধ্যে ১৭ হাজার ৮৮১টি শিশু রয়েছে। এদের মধ্যে নবজাতক ছিল ২১৪টি। গাজার মিডিয়া অফিসের প্রধান আরও জানান, ‘ইসরাইলি বাহিনী ৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে এবং তাদের মধ্যে কয়েক ডজনকে আটক অবস্থায় নির্যাতন করে হত্যা করেছে’। সালামা মারুফ জানান, ‘যুদ্ধকালে ২০ লাখের বেশি মানুষকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই ২৫ বারেরও বেশি স্থানান্তর হতে বাধ্য হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৫৮৮ জন।’ মিডিয়া অফিসের প্রধান আরও জানান, ইসরাইলি আগ্রাসনকালে গাজায় স্বাস্থ্যকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও সাংবাদিকদের ওপর ব্যাপক হামলা হয়েছে। এতে ১ হাজার ১৫৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী, ২০৫ জন সাংবাদিক এবং ১৯৪ জন সিভিল ডিফেন্স কর্মী নিহত হয়েছেন। আল-জাজিরার প্রতিবেদক তারেক আবু আজ্জম গাজার আল-রাশিদ স্ট্রিট থেকে জানিয়েছেন, ‘মানবিক ও চিকিৎসা সহায়তা দলগুলো এখন উদ্ধার কার্যক্রম থেকে মরদেহ উদ্ধারের কাজে বেশি মনোনিবেশ করেছে। শত শত বাড়ি কবরস্থানে পরিণত হয়েছে।’ সূত্র: আল-জাজিরা বিপি/টিআই
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি