৫ মে ২০২৬

দেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে: সিইসি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
দেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে: সিইসি

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: দেশ গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা জাতির কাছে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট উপহার দেওয়ার ওয়াদা করেছিলাম। ঈদের সময়ের মতো মানুষ ট্রেন, বাস, লঞ্চে করে গ্রামে-গঞ্জে গেছে ভোট দিতে। অনেক দিন পর উৎসবের আমেজে মানুষ আনন্দের সঙ্গে ভোট দিচ্ছে।’ আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টায় রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে সিইসি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে এখন পর্যন্ত জানা গেছে, সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে। দু’একটি জায়গায় ভোটকেন্দ্রের বাইরে কিছু গোলমাল হলেও তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলোর সমাধান করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের একটি কেন্দ্রের উদাহরণ টেনে সিইসি বলেন, ‘সেখানে জামায়াত ও বিএনপির প্রার্থী পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হাসিমুখে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এটিই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমরা চাই বাংলাদেশ যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন অবশ্যই গন্তব্যে পৌঁছাবে।’ তিনি বলেন, ২০২৬ সালের সারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় একটি নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন বিশ্বের আর কোথাও হয়নি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্বাচন কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনাররা তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা এ প্রস্তুতি দেখে অত্যন্ত আনন্দিত। এই নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের অধীন প্রায় ১৭ লাখ মানুষ কাজ করছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আমরা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করে গেছি। আমরা কারও পক্ষে নই, কারও বিপক্ষে নই। আমরা একটি সুন্দর নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছি। এই দেশে কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না। পাতানো নির্বাচনের ইতিহাস ভুলে যেতে হবে। কেন্দ্র দখলের, ভোটের বাক্স দখলের ইতিহাস ভুলে যেতে হবে।’ তিনি বলেন, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচনের ভোট মিলিয়ে ২৫৪ মিলিয়ন ব্যালট পেপার ছাপাতে হয়েছে। সেইসঙ্গে এসব ব্যালট পেপার কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছে। বিশাল এই কর্মযজ্ঞ সফলতার সঙ্গে শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন গুজব বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং এআইয়ের তৈরি কনটেন্ট আমাদের জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ। এসব আপাতত মোকাবিলায় আমরা অনেক প্রস্তুতি নিয়েছি, তারপরও এসব গুজব মোকাবিলা করে শেষ করা যাচ্ছে না। এসব গুজবের বড় উৎস দেশের সীমানার বাইরে, যেখানে আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তাই আমরা সত্য তথ্য দিয়ে অপতথ্য মোকাবিলার কৌশল নিয়েছি।’ তিনি বলেন, গণমাধ্যমই সেই সত্য তথ্য প্রকাশ করবে। এ ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চেয়ে প্রথম সারির মিডিয়ার ওপর আমরা বেশি বিশ্বাস রাখি।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি