ডেঙ্গু থেকে সতর্ক থাকতে শিক্ষার্থীদের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: সেপ্টেম্বর থেকে পরবর্তী তিন মাস ডেঙ্গুর ঝুঁকি বেশি থাকে উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের আগে থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের কার্যক্রম দেখতে আসা ঢাকার সানিডেইল স্কুলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বলেছেন, সেপ্টেম্বর থেকে পরবর্তী তিন মাস ডেঙ্গুর ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই আগে থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
“তোমাদের নিজেদের বাসা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।
কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকেও খেয়াল রাখবে। তোমরা ডেঙ্গুর থেকে সর্তক থাকবে।”
রাজধানীর সানিডেইল স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা বুধবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনের কার্যক্রম দেখতে সংসদে আসেন। তারা গ্যালারিতে বসে সংসদের কার্যক্রম দেখেন।
পরে সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সামনে সমবেত হয়ে শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পান। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের লেখাপড়া ও স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেন।
শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীকে সরাসরি দেখতে পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে।
উপপ্রেস সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের পরিবেশ রক্ষা এবং নিজ নিজ বাসা ও তার আশ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।’
জনস্বাস্থ্য ও ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় শিক্ষার্থীদের করণীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘জন্মদিনে গাছের চারা উপহার দেবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের পরিবেশ সুন্দর ও সবুজ করতে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছি। এই উদ্যোগে তোমাদেরও অংশগ্রহণ করা উচিত। পরিবেশ ঠিক রাখতে তোমাদের বাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমনকি তোমাদের আত্মীয় স্বজনদের বাসার আশপাশেও গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।’
‘যেকোনো বিশেষ আয়োজন; সেটা তোমাদের জন্মদিন কিংবা অন্য কোনো বিশেষ দিন উপলক্ষে একে অন্যকে গাছ উপহার দিতে পারো। এভাবে গাছ উপহার দেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।’
বিদেশের পরিচ্ছন্ন পরিবেশের উদাহরণ দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা বিদেশে গেছ, তারা নিশ্চয়ই দেখেছ সেখানকার পরিবেশ কতটা পরিচ্ছন্ন। আমাদের দেশকেও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।’
‘মানুষকে যত্রতত্র ময়লা ফেলা থেকে বিরত রাখতে তোমরাও সহযোগিতা করবে। যদি দেখো তোমাদের বন্ধু বা স্বজনদের কেউ পরিবেশ নোংরা করছে বা রাস্তায় ময়লা আবর্জনা ফেলছে, তখন তাদের বারণ করবা, তাদের বুঝিয়ে বলবে। নিজে ময়লাগুলো নির্দিষ্ট ডাস্টপিনে ফেলে দেবে।’
লন্ডনের পরিবেশ কেমন তা শিক্ষার্থীদের কাছে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেদেশের পরিবেশ সেখানকার নাগরিকরাই পরিচ্ছন্ন রাখে। সেজন্য সেই দেশটি পরিবেশও ভালো। আমরা নিজেরা যদি নিজেদের বাসা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখি, তাহলে পুরো দেশকেই পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব। পরিবর্তন নিজের ঘর থেকেই শুরু করতে হবে।
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
মেট্রোরেলে ২৭ বিয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিয়ারে ফাটল: সংসদে সড়কমন্ত্রী
সঙ্গীত একাডেমি