৫ মে ২০২৬

চোরাবালিতে আটকে যাচ্ছে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
চোরাবালিতে আটকে যাচ্ছে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপি

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: জেলা বিএনপির প্রথম সভাপতি মরহুম সুনু মাজমাদার দ্বিতীয় সভাপতি এবাদত হোসেন মন্ডল এবং তৃতীয় সভাপতি, চেয়ারপার্সোনের বর্তমান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মসিউর রহমানের দক্ষ নেতৃত্বের কারনে দক্ষিন বঙ্গের জেলা ঝিনাইদহ ৮০র দশক থেকেই বিএনপির শক্ত ঘাটি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। ফলস্রুতিতে ১৯৯১ থেকে ২০০১ পরপর ৪ বার ৪ সিটের ৩ টি তেই একাধারে বিএনপি জয়লাভ করে। এরশাদ বিরোধি আন্দোলোনে যে ঝিনাইদহ ছিল খরস্রোতা নদীর মত উত্তাল, আজ শুধুমাত্র যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে দল তার সে জৌলুস হারিয়েছে।

৩ মাসের সময় দিয়ে গত ২০ আগষ্ট গঠিত হয়েছে ৫১ সদস্যের একপেশে জেলা আহ্বায়ক কমিটি যা নিয়ে কর্মীদের মধ্যে রয়েছে নানান অসন্তোষ,৫১ সদস্যের মধ্যে শুধুমাত্র পার্শ্ববর্তী শৈলকুপা থানা থেকেই নাম অন্তর্ভূক্ত হয়েছে ১৪ জনের। আহ্বায়ক কমিটিতে আহ্বায়কের পরে যুগ্ম আহ্বায়ক থাকলে আলাদা করে আবার সদস্য সচিব থাকে ঝিনাইদহের মানুষ এই প্রথম তা প্রত্যক্ষ করলো। সিনিয়র আইনজীবি নিরেট ভদ্রলোক জেলা আহ্বায়ক সাহেবের সাথে আলাপচারিতায় জানা গেল তাকে ব্যবহার করা হচ্ছে ঠুটো জগন্নাথের মত,১০ এর পাশে একা না বোকা, বাধ্যগত ছাত্র। সংবিধান উঠেগেছে ছিকেই, পর্দার অন্তরালে কোন আঙ্গুলের ইশারায় চলছে সদস্য সচিব সাহেবের একক ক্ষমতার কসরত, বোঝা বড় দায়।

সবকিছুতেই তারেক সাহেবের নামটা জুড়ে দিলেই তো সব বাঁধা সাফ। সদস্য সচিব সাহেবের দক্ষ নেতৃত্বে বর্তমানে ঝিনাইদহ জেলার ২টি থানা কালিগন্জ ও শৈলকূপা বিএনপি শুন্য। প্রায় ১০ দিন আগে জেলা অফিসে সবাইকে ডেকে এনে এই দুইটি থানার থানা ও পৌর কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। তবে শৈলকুপার এড: আসাদ সাহেব নাকি সব নাটের গুরু তার নেতৃত্বে নাকি জেলা সদস্য সচিব লোক বিহিন কমিটি করছে।

এদিকে খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা মসিউর রহমান সাহেবও যে ধুয়া তুলসি পাতা তা নয়,উনিও ক্ষমতার দাপট নেতা তৈরী না করা নেতা কর্মিদের সাথে খারাপ ব্যবহারসহ নানান অভিযোগ আছে।কমিটি গঠনের পূর্বে এভাবে কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে স্থান শুন্য রাখার কোনো বিধান আছে কিনা এ ব্যাপারে চেয়ারপার্সোনের উপদেষ্টা জনাব মসিউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রশ্নই আসেনা,এটা শুধু অসাংবিধানিকই নয় ভয়ংকর ক্ষতিকারকও বটে।তিনি আরও বলেন জেলা অফিসে সবাইকে ডেকে এনে কমিটি ভাঙ্গতে হবে কেন, কমিটিতো ভাঙ্গার দরকারই হয়না,জেলা নেতৃবৃন্দ স্ব স্ব থানায় উপস্থিত হয়ে এ্যাডহক / সাবজেক্ট কমিটি গঠন করার সাথে সাথেই চলতি কমিটি ভেঙ্গে যায়। এখানে স্থান শুন্যতার কোনো সুযোগ নেই। কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর রবিউল ইসলাম লাবলুও একই অভিমত ব্যাক্ত করেন।

যা শুরু হয়েছে এইভাবে বাকি ৪টি থানা ভেঙ্গে দিলেই জেলাশুন্য বিএনপির পরিনতি কি হবে তা নিয়ে নেতা কর্মীরা আতংকিত। অনেকে ভাবছেন সদস্য সচিব কি শহীদ জিয়ার আদর্শকে কবর দিয়ে জেলা আহ্বায়ক কমিটির মত থানা/ পৌর আহ্বায়ক কমিটিতেও স্বজনপ্রীতির শেষ সীমা অতিক্রম করতে চাচ্ছেন। সকল নেতাকর্মী তাকিয়ে আছে তাদের শেষ ভরসাস্থল জনাব তারেক রহমানের দিকে,একমাত্র উনিই পারেন সবকিছু ধংস হয়ে যাবার পূর্বেই যোগ্য ব্যাক্তির হাতে নেতৃত্ব তুলে দিতে।

বিপি/আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি