৪ মে ২০২৬

বুমরাহর অস্বস্তির বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন সেই এজাজ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০১ পিএম
বুমরাহর অস্বস্তির বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন সেই এজাজ

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   নিউজিল্যান্ডের বাঁহাতি স্পিনার এজাজ প্যাটেল অবশেষে ঘরের মাঠে টেস্ট উইকেট পেলেন। এই উইকেট পেতে তার অপেক্ষা করতে হয়েছে সাত বছরের বেশি সময়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টে তিনি এই কীর্তি গড়েন।

এই ম্যাচ শুরুর আগে এজাজ প্যাটেলের টেস্ট উইকেট ছিল ৮৫টি। আশ্চর্যের বিষয়, সব কটি ছিল দেশের বাইরে। ঘরের মাঠে কোনো উইকেট ছিল না। ৮৬তম উইকেটটা তিনি অবশেষে পেলেন ঘরের মাঠে।

ঘরের মাঠে প্রথম উইকেট পাওয়ার আগে দেশের বাইরে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেওয়ার বিশ্বরেকর্ড এতদিন ছিল জাসপ্রিত বুমরাহর দখলে। বুমরাহ ঘরের মাঠে প্রথম টেস্ট উইকেট নেওয়ার আগে নিয়েছিলেন ৭৯টি উইকেট। 

তবে ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচেই অবশ্য উইকেটের দেখা পেয়েছিলেন ভারতীয় এই পেসার। এদিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে এজাজ পাটেল। চলমান মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্ট ঘরের মাঠে এজাজের চতুর্থ টেস্ট। 

তার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল সাত বছরেরও আগে। ঘরের মাঠে উইকেট না পেলেও বিদেশে এজাজ প্যাটেল নিউজিল্যান্ডকে অনেক সাফল্য এনে দিয়েছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে তার অভিষেক সিরিজেই দল জেতে ২-১ ব্যবধানে। অভিষেক ম্যাচেই তিনি নেন ৫৯ রানে ৫ উইকেট। সেই ম্যাচ নিউজিল্যান্ড জেতে মাত্র চার রানে।

২০২১ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এজবাস্টনে চার উইকেট নিয়ে সিরিজ জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। গত এক দশকে ইংল্যান্ডের মাঠে একমাত্র টেস্ট সিরিজ হার ছিল সেটিই।

তবে এজাজ প্যাটেলের সবচেয়ে গর্বের মুহূর্ত এসেছে ভারতের মুম্বাইয়ে। ২০২১ সালে তিনি এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেন। এটি নিউজিল্যান্ডের টেস্ট ইতিহাসে একমাত্র ঘটনা। তিন বছর পর আবার মুম্বাইয়ে তিনি নেন ১১ উইকেট। সেই ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে নিউজিল্যান্ড সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করে।

এত সাফল্যের পরও ঘরের মাঠে উইকেটের দেখা পাননি তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে সেই অপেক্ষা শেষ হয়। ইনিংসের ৭২তম ওভারে তিনি অ্যালিক আথানাজেকে আউট করেন। বল প্যাডে লেগে স্টাম্পে ফিরে যায়।

এরপর দ্রুতই আরেকটি উইকেট নেন এজাজ প্যাটেল। তিনি রস্টন চেজকে এলবিডব্লিউ করেন।

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি