১০ মে ২০২৬

বরিশাল বাদে সব পলিটেকনিকে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
বরিশাল বাদে সব পলিটেকনিকে ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ছয় দফা দাবিতে দেশের ৪৮টি সরকারি পলিটেকনিকে তালা ঝুলিয়ে ‘শাটডাউন’ চলছে। তবে বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ক্লাস চালিয়ে গেলেও পরীক্ষা ও ফরম পূরণ বর্জন করছে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কারিগরি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের’ দপ্তর সম্পাদক সাব্বির আহমেদ জানান, নতুন কর্মসূচি ঘোষণার আগ পর্যন্ত ‘শাটডাউন’ চলবে। বরিশালের শিক্ষার্থী আয়ুব নবী বলেন, পরিকল্পিতভাবে আন্দোলন চালাচ্ছি। তবে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হবে না। এর আগে গত সোমবার রাতে কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের দপ্তর সম্পাদক সাব্বির আহমেদের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রূপরেখা প্রণয়ন না করা পর্যন্ত মঙ্গলবার থেকে সব পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে একযোগে শাটডাউন কর্মসূচি চলবে। দাবি না আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে। শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে– জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের পদোন্নতির হাইকোর্টের রায় বাতিলসহ ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টর পদবি পরিবর্তন। ২০২১ সালের বিতর্কিত ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টর নিয়োগের জন্য নিয়োগবিধি অনতিবিলম্বে বাতিল; ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চার বছর মেয়াদি অব্যাহত রাখা এবং মানসম্মত সিলেবাস ও কারিকুলাম আধুনিক বিশ্বের আদলে প্রণয়ন; উপসহকারী প্রকৌশলী ও সমমান (দশম গ্রেড) পদে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ও মনোটেকনোলজি (সার্ভেয়িং) থেকে পাস করা শিক্ষার্থী ছাড়া অন্য কেউ আবেদন করতে পারবে না। প্রাইভেট সেক্টরে ডিপ্লোমা-ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করা ছাত্রদের ন্যূনতম দশম গ্রেডের বেসিক অর্থাৎ ১৬ হাজার টাকা বেতন দিতে হবে; ডিপ্লোমা-ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ও মনোটেকনোলজি থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য আধুনিক বিশ্বের আদলে একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির গেজেট পাস এবং বর্তমানে প্রস্তাবিত চারটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে (নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, নড়াইল, খাগড়াছড়ি) শতভাগ সিট নিশ্চিত করা। ছয় দাবিতে কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। স্মারকলিপি, মানববন্ধন ও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের পর গত ১৬ এপ্রিল সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সাতরাস্তা মোড়ে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তারা। তাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ওই দিন জেলায় জেলায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। দিনভর বিক্ষোভ-অবস্থানের পর সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দেন, ১৭ এপ্রিল সকাল থেকে তারা সারাদেশে রেলপথ ব্লকেড কর্মসূচি পালন করবেন। তবে রাতে সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানোয় তারা কর্মসূচি সাময়িক শিথিল করেন। এর পর সচিবালয়ে বৈঠকে যান। তবে বৈঠকে ডেকে তাদের সঙ্গে ‘প্রতারণা করা হয়েছে’ বলে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এর পর ২২ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা করেন কারিগরি ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। [বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।] বিপি/টিআই    
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি