৫ মে ২০২৬

৪৪ দিনে ৫০০ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরাইল

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৪৩ পিএম
৪৪ দিনে ৫০০ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে ইসরাইল

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ঘোষিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজায় প্রায় প্রতিদিনই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। গাজা প্রশাসনের অভিযোগ, গত ৪৪ দিনে ইসরাইলি বাহিনী প্রায় ৫০০ বার যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করেছে। অব্যাহত এসব হামলায় তিন শতাধিক ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গত ৪৪ দিনে ইসরাইল অন্তত ৪৯৭ বার হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার গণমাধ্যম কার্যালয়। এসব অভিযানে এখন পর্যন্ত ৩৪২ জন সাধারণ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে নারী, শিশু ও প্রবীণদের সংখ্যা বেশি।

শনিবার (২২ নভেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি বলবৎ থাকা সত্ত্বেও ইসরাইলি দখলদার বাহিনী বারবার পরিকল্পিতভাবে চুক্তি লঙ্ঘন করছে। প্রতিষ্ঠানটি এই আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এটিকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও মানবিক প্রোটোকল ভঙ্গের স্পষ্ট উদাহরণ বলে উল্লেখ করেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শুধু শনিবারই যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের ২৭টি ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ২৪ জন নিহত ও ৮৭ জন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে চুক্তি অনুযায়ী বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও গাজার ভেতরে জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রবেশেও ইসরাইল কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে।

শনিবার সারা গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত ২৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন; নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে।

নেতানিয়াহুর দপ্তর জানায়, গাজায় ‘ইয়েলো লাইন’-এর কাছে এক হামাস সদস্য ইসরাইলি সেনাদের ওপর আক্রমণ করার পর এই হামলা চালানো হয়।

জবাবে হামাস ওই যোদ্ধার পরিচয় প্রকাশ করতে ইসরাইলকে আহ্বান জানিয়েছে। হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সিনিয়র সদস্য ইজ্জাত আল-রিশেক মধ্যস্থতাকারী দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরাইলের ওপর চাপ বাড়ানোর অনুরোধ করেছেন, যাতে দেশটি চুক্তির শর্ত মানতে বাধ্য হয়।

তার দাবি, ইসরাইল ইচ্ছাকৃতভাবে অজুহাত তৈরি করে আবারও ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু করার পথ তৈরি করছে। প্রতিদিনই তারা চুক্তি লঙ্ঘন করছে এবং হামাস যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করছে—এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।


বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি