২০২০ গণতন্ত্র ও পরিবর্তনের বছর: দুদু
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ‘২০২০ সাল যেন হয় গণতন্ত্র এবং স্বাধীনতার মুক্তির বছর। এই শপথ আমাদের (ছাত্রদল) নিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘২০২০ সাল যদি পরিবর্তনের বছর হয়, তাহলে ছাত্রদলকে দায়িত্ব নিতে হবে। এই সাল যেন হয় খালেদা জিয়ার মুক্তির বছর। গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার মুক্তির বছর। এই সাল যেন হয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বছর।’
বুধবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে ছাত্রদলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্র সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি সরকার পালন করবে, দেশের জনগণ পালন করবে, আমরা পালন করব। কিসের স্বাধীনতা ? যে দেশে গণতন্ত্র নাই। বিরোধীদলের সমাবেশ করার অনুমতি নাই সেই দেশে কিসের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি পালন? গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা পালন করবো ৫০ বছরের কিন্তু দেশে স্বাধীনতা নাই। এটা ছাত্রদলকে বুঝতে হবে।’
ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ‘আজকে এই মঞ্চে আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিত থাকার কথা ছিল। যদি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ হতো তাহলে বেগম জিয়া এখানে উপস্থিত থাকতেন। যদি সত্যিকারের বাংলাদেশ হতো তাহলেএখানে তারেক রহমান উপস্থিত থাকতেন। কিন্তু দেশে গণতন্ত্র না থাকায় সেটি আমরা প্রত্যাশা করতে পারছি না।’
দুদু বলেন, ‘২০২০ সালের প্রথম দিন আজ। এই ২০২০ আপনাদেরকে অভিনন্দন জানাবো না। স্পষ্ট করে বলব ছাত্রদলকে দায়িত্ব নিতে হবে। ২০২০ যেন পরিবর্তনের বছর হয়।২০২০ যেন স্বৈরতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রে ফিরে আসার বছর হয়। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বছর হয়। তারেক রহমান যেন এই বছরে বীরের বেশে ফিরে আসতে পারে। এই বছরই যেন গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার মুক্তির বছর হয়। এই শপথ আমাদেরকে নিতে হবে। তাহলে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা অগ্রগতি ও নতুন নেতৃত্বের প্রতি জাতি নত স্বীকার করবে।’
ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যদি আন্দোলন করতে হয় তাহলে এখানে যত ছেলে আছে তত মেয়েকেউ আসতে হবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ছাত্র-ছাত্রী সমানভাবে আন্দোলন করেছিল, যার কারণে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আজও সেইভাবে আন্দোলন করতে হবে তাহলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।’
অতীতে ছেলে এবং মেয়ে, ছাত্র এবং ছাত্রী সম উদ্যোগে প্রকম্পিত করেছিল ছাত্রদলকে। তখন দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছিল। তেমন সংগঠন তৈরি করতে হবে বলেও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন।
ছাত্র সমাবেশে ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদ ইকবাল হোসেন শ্যামলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এসময় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, আকরামুল হক, ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আমার জানাজা পড়ানোর জন্য ওয়াহাবি বা জামায়াতের প্রয়োজন নেই: ফজলুর রহমান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি