১০ দিন পর বাড়িতে ফিরলেন অভিশ্রুতি, রাতেই দাফন
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: রাজধানীর বেইলি রোডে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় প্রাণ হারানো সাংবাদিক বৃষ্টি খাতুন ওরফে অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (১১ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টায় বৃষ্টির মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায় বলে জানান খোকসা থানার ওসি আননুর জায়েদ। পরে জানাজা শেষে খোকসার বনগ্রামে স্থানীয় কবরস্থানে রাত সোয়া ১০টার দিকে তাকে দাফন করা হয়।
নাম বিভ্রাট এবং ধর্ম পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বাবা-মায়ের ডিএনএ টেস্টের পর স্বজনদের হাতে ১০ দিন পর তুলে দেয়া হয় বৃষ্টির মরদেহ। পরে সোমবার রাতে খোকসা উপজেলার বেতবাড়ীয়া ইউনিয়নের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায় তার মরদেহ। বাড়িতে মরদেহ পৌঁছানোর পর কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা।
বৃষ্টির বাবা সবুজ শেখ বলেন, আমার মেয়ের মরদেহ বুঝে পেয়েছি, এটাই আমাদের পাওয়া। তবে আমার মেয়েকে যারা ভুল পথে নিয়েছে, তাদের আমি বিচার চাই। এ সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং হোটেল মালিকদেরও দায়ী করেন তিনি।
রোববার (১০ মার্চ) রাতে সাংবাদিক দের জনান, বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডির) ফরেনসিক বিভাগের ডিআইজি একেএম নাহিদুল ইসলাম জানান, সাংবাদিক বৃষ্টি খাতুন ওরফে অভিশ্রুতি শাস্ত্রীর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। বাবা সবুজ শেখ ওরফে শাবলুল আলম এবং মা বিউটি খাতুনের দেয়া ডিএনএ নমুনার সঙ্গে মিলেছে তার ডিএনএ।
গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে মারা যান বৃষ্টি। তবে নাম ও পরিচয় নিয়ে নানা জটিলতায় হস্তান্তর করা হয়নি মরদেহ। তার পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা থাকায় ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। মরদেহ রাখা হয়েছে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট মর্গের ডিপ ফ্রিজারে।
মেয়ের মৃত্যুর খবরে ওইদিনই কুষ্টিয়া থেকে ছুটে ঢাকায় আসেন বৃষ্টি খাতুনের (অভিশ্রুতি শাস্ত্রী) বাবা সবুজ শেখ। মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন তিনি। তবে এরপরই বাধে বিপত্তি। সহকর্মী ও পরিচিতরা দাবি করেন, নিহত তরুণীর নাম অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। তিনি সনাতন ধর্মের অনুসারী।
পরে পরিচয় নিশ্চিত হতে ১ মার্চ ওই সাংবাদিকের ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষা করা হয়। তাতে দেখা যায়, জাতীয় পরিচয়পত্রে তার নাম বৃষ্টি খাতুন। বাবার নাম সবুজ শেখ আর মায়ের নাম বিউটি বেগম। এনআইডি অনুযায়ীও ওই সাংবাদিকের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বনগ্রাম গ্রামে। পরে ডিএনএ পরীক্ষা শেষে বাবার হাতে তুলে দেয়া হয় বৃষ্টির মরদেহ।
প্রসঙ্গত, বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের বহুতল ভবনে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ভয়াবহ আগুনে ৪৬ জন প্রাণ হারান।
বিপি/টিআই
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
বাংলাদেশ
ঈদুল আজহায় ১০ জোড়া বিশেষ ট্রেন চলবে, অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু কবে
১০ ঘন্টা আগে
by বাংলা প্রেস
বাংলাদেশ
‘পুশব্যাক’ ইস্যুতে বাংলাদেশকে নাগরিকত্ব যাচাই দ্রুত করার আহ্বান ভারতের
১০ ঘন্টা আগে
by বাংলা প্রেস
বাংলাদেশ
হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
১১ ঘন্টা আগে
by বাংলা প্রেস
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি