৪ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ লাখ মানুষের জন্য কর্মঅনুমতি নীতির পরিবর্তন আসছে

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৮ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ লাখ মানুষের জন্য কর্মঅনুমতি নীতির পরিবর্তন আসছে

আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য কর্মঅনুমতি

আবু সাবেত: যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য কর্মঅনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) নীতিতে বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন, যা প্রতি বছর প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশিত প্রস্তাব অনুযায়ী, আশ্রয়ের আবেদন করার পর অন্তত এক বছর পর্যন্ত আবেদনকারীরা কর্মঅনুমতির জন্য আবেদন করতে পারবেন না। বর্তমানে তারা ১৫০ দিন পর আবেদন করতে পারেন এবং সাধারণত ১৮০ দিনের মধ্যে কর্মঅনুমতি পান। নতুন প্রস্তাবে এই অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) জানিয়েছে, আশ্রয়ভিত্তিক কর্মঅনুমতির আবেদন প্রক্রিয়াকরণের সময়সীমাও বাড়িয়ে ৩০ দিনের পরিবর্তে ১৮০ দিন করা হতে পারে। পাশাপাশি, আবেদনকারীদের জন্য বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হবে, তা না হলে আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হতে পারে।
এছাড়া, যদি আশ্রয় মামলার গড় নিষ্পত্তির সময় ১৮০ দিনের বেশি হয়, তবে ইউএসসিআইএস সাময়িকভাবে নতুন কর্মঅনুমতির আবেদন গ্রহণ স্থগিত করতে পারবে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মতে, এই স্থগিতাদেশ দীর্ঘ সময়ও স্থায়ী হতে পারে।
প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, যারা অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আশ্রয়ের ইচ্ছা প্রকাশ করেননি, এক বছরের মধ্যে আশ্রয়ের আবেদন করেননি (যদি ব্যতিক্রম না থাকে), অথবা যাদের অপরাধসংক্রান্ত তথ্য রয়েছে তাদের কর্মঅনুমতি অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ স্বীকার করেছে, এই পরিবর্তনের ফলে বহু আশ্রয়প্রার্থী আয়হীন হয়ে পড়তে পারেন এবং তাদের মধ্যে গৃহহীনতা, খাদ্যসংকট বা বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার চাপ তৈরি হতে পারে। তবে প্রশাসনের যুক্তি, এর ফলে আমেরিকান কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়তে পারে।

* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।

বিপি/এসএম

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি