যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের 'মহাক্রোধ' অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি নিহত
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের 'মহাক্রোধ' অভিযানে ইরানের নেতা খামেনি নিহত
নোমান সাবিত: শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক হামলা চালায়। ইসরায়েলের দাবি, এই অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন।
এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, খামেনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে ইরান এই হামলাকে উসকানিহীন ও অবৈধ বলে আখ্যা দেয় এবং পাল্টা হিসেবে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি থাকা অন্তত সাতটি দেশের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—যিনি নিজেকে “শান্তির প্রেসিডেন্ট” হিসেবে প্রচার করে পুনর্নির্বাচনের প্রচারণা চালিয়েছিলেন—বলেন, এই হামলার লক্ষ্য ছিল বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি দেওয়া একটি দেশের হুমকি নির্মূল করা এবং ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে তা নিশ্চিত করা।
ট্রাম্প ইরানি নিরাপত্তা বাহিনীকে অস্ত্র ফেলে দেওয়ার আহ্বান জানান এবং বোমাবর্ষণ শেষ হলে ইরানি জনগণকে তাদের সরকার উৎখাতের আহ্বান জানান। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি সতর্ক করেন, মার্কিন হতাহতের ঘটনাও ঘটতে পারে। তবে কয়েক ঘণ্টা পর মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানায়, কোনো মার্কিন নাগরিকের নিহত বা আহত হওয়ার খবর নেই।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইঙ্গিত দেন, হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন এবং ইরানি জনগণকে “রাস্তায় নেমে কাজ শেষ করার” আহ্বান জানান।
নেতানিয়াহু বলেন, একাধিক ইঙ্গিত রয়েছে যে খামেনি “আর বেঁচে নেই।” তিনি দাবি করেন, খামেনির বাসভবন ধ্বংস করা হয়েছে এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কমান্ডার ও জ্যেষ্ঠ পারমাণবিক কর্মকর্তারা নিহত হয়েছেন। ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলায় খামেনির জামাতা ও পুত্রবধূও নিহত হয়েছেন।
* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।
বিপি/এসএম
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
নিউ ইয়র্কে হাসপাতাল অবরুদ্ধকালে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৯ জন গ্রেপ্তার
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি