
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: আলোচিত সমালোচিত হেফাজত নেতা মামুনুল হক গেলো কয়েকদিন ধরে আত্মগোপনে। পুলিশ বলছে, তাকে খোঁজা হচ্ছে। আর তার সংগঠনের নেতারা বলছেন, ব্যক্তির দায় সংগঠনের নয়। ব্যক্তি জীবনে কোন আইনবিরোধী কাজ করলে আইনগতভাবে মোকাবেলা করবেন তিনিই।
রিসোর্ট কাণ্ড, সেখান থেকে ছিনিয়ে নেয়া। ঘটনার ব্যাপারে হেফাজত ইসলামের নেতাদের অবস্থান। সবশেষ মামনুলের ভিডিও বার্তা।
মামুনুল হককে নিয়ে সরব থাকলেও ভিডিও বার্তার পর গেলো কয়েকদিন ধরে হেফাজত ইসলাম সাংগঠনিকভাবে আর কিছু বলছে না। সবশেষ দেয়া এক বিবৃতিতেও মামনুলের বিষয়টি উল্লেখ নেই। হেফাজতে ইসলামের সহকারী মহাসচিব সাখাওয়াত হোসেন রাজী বলেন, 'শরীয়তের আইন লঙ্ঘন করে মামুনুল কিছু করেছে কি-না, হেফাজত এটা নিশ্চিত হয়েছে এমন কাজ মামুনুলের দ্বারা হয়নি। যদি প্রচলিত কোন আইনে ব্যত্যয় ঘটে মামুনুলের কাজে, ওই বিষয়টা হেফাজতের দেখার বিষয় না। ব্যক্তির ওপর কোন প্রশ্ন আসলে, সেটার উত্তর সে ব্যক্তিগতভাবে দিবে।'
হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর আহমদ আব্দুল কাদের বলেন, 'ব্যক্তিগত বিষয়ের ব্যাপারে কোন মামলা হলে সেটা তো হেফাজত দেখবে না। এটার উত্তর তিনিই দিবেন। এটা নিয়ে আমাদের কোন কথা নাই।'
সংগঠনটির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও শফীপন্থী বলে পরিচিত মাঈনুদ্দিন রুহি বলছেন, মামনুকে বহিস্কার না করলে পুরো সংগঠন সমালোচিত হবে। তিনি বলেন, 'মামুনুল পরিত্যক্ত ও বিকারগ্রস্ত হয়ে গেছে। অসুস্থ মানসিকতার কোন মানুষকে কেউ সমর্থন দেয় না। হেফাজতে ইসলাম ও কওমি মাদ্রাসা তাকে বয়কট করে হেফাজতে ইসলামের ও কওমি মাদ্রাসার মান সম্মান রক্ষা করা উচিত।'
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]