৫ মে ২০২৬

ইয়াসে ক্ষতি ১৫ হাজার কোটি টাকা : মমতা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
ইয়াসে ক্ষতি ১৫ হাজার কোটি টাকা : মমতা
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ইয়াসে রাজ্যের ক্ষতি হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে একথাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বলেন, প্রাথমিকভাবে দেখা যাচ্ছে ১৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরে ফিল্ডে গিয়ে খতিয়ে দেখলে আসল ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে। তবে জল না নামলে সার্ভে সম্ভব নয়। তাই একটু দেরি হবে। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন, ‘ঘুর্ণিঝড় ইয়াসে ১৩৪টি বাঁধ ভেঙে গিয়েছে। ৩ লক্ষেরও বেশি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত।’ জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে দিঘা থেকে প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান জানতে চাইবেন। শনিবার সকালে দিঘার পর্যদুস্ত এলাকা পরিদর্শনে যেতে পারেন মমতা। আরও পড়ুন: কাল বাংলা-ওডিশায় ইয়াস বিধ্বস্ত এলাকা ঘুরে দেখবেন প্রধানমন্ত্রী ইয়াস ঘূর্ণিঝ়ড় পরবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কলাইকুণ্ডাতে যাবেন তিনি। কলাইকুণ্ডাতে মুখ্যমন্ত্রী সহ শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, বৈঠকের পাশাপাশি, মু্খ্যমন্ত্রীকে সঙ্গী করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। ইতিমধ্যে ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় রাজ্যকে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। এদিকে, ইয়াসে বাংলার ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে রাজ্য সরকারের দেওয়া হিসেব মানতে চাননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ৷ কটাক্ষের সুরে তিনি বললেন, “ঝড় আসার আগেই মনে হয় ক্ষয়ক্ষতি ঠিক করে রাখা হয়েছিল!” বুধবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “১৩৪ টি বাঁধ নাকি ভেঙে গিয়েছে বলা হচ্ছে। জানি না এই হিসাব কোথায় পেয়েছেন। আর আয়লার পরে বাঁধ কতটা পাকা হয়েছিল তা জানা নেই।” তখন কাজ হলে এত বাঁধ ভাঙল কী করে? প্রশ্ন দিলীপ ঘোষের। ঘূর্ণিঝড়ের অর্থ বরাদ্দ নিয়ে প্রথম থেকেই রাজনীতি করছেন মুখ্যমন্ত্রী, এই অভিযোগও করলেন দিলীপ। তাঁর প্রশ্ন, আমফানের পর কত ম্যানগ্রোভের চারা লাগানো হয়েছে? তাঁর দাবি, “কত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার সঠিক তথ্য দিক রাজ্য সরকার”, বিজেপির রাজ্য সভাপতি এও বলেছেন, “যতটা ক্ষতি হবে ভাবা হয়েছিল তার থেকে কম হয়েছে। ভগবানের ইচ্ছায় অনেক মানুষের প্রাণ বেঁচে গিয়েছে। ইয়াসের মোকাবিলায় রাজ্য সরকারকে কেন্দ্র অগ্রিম টাকা দিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী নিজে এটা নিয়ে রাজনীতি শুরু করেছেন। যে রাজ্যের উপকূলবর্তী সীমা যত বেশি থাকে সেই রাজ্যকে তত বেশি টাকা দেওয়া হয়। সেই হিসাবেই টাকা দেওয়া হয়েছে।” বিপি২৪/আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি