৪ মে ২০২৬

আইনজীবীর অভিযোগ

ওয়ারেন্ট ছাড়াই সংবাদবাহী গাড়ি থেকে সাংবাদিককে ধরে নিয়ে গেল আইসিই

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
ওয়ারেন্ট ছাড়াই সংবাদবাহী গাড়ি থেকে সাংবাদিককে ধরে নিয়ে গেল আইসিই

সাংবাদিক এস্তেফানি রদ্রিগেজ ফ্লোরেজ

আবু সাবেত: যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-এর সমালোচনামূলক প্রতিবেদন করা এক স্প্যানিশভাষী সাংবাদিককে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই আটক করেছে একই সংস্থার কর্মকর্তারা এমন অভিযোগ উঠেছে।
ন্যাশভিল নিউজ পোর্টাল 'ন্যাশভিল নোটিসিয়াস'-এর সাংবাদিক এস্তেফানি রদ্রিগেজ ফ্লোরেজকে একটি নিয়মিত ট্রাফিক চেকের সময় একাধিক গাড়ি ঘিরে ফেলে আটক করা হয়। সে সময় তিনি তার স্বামীর সঙ্গে একটি চিহ্নিত সংবাদবাহী গাড়িতে বসে ছিলেন।
কলম্বিয়ায় জন্ম নেওয়া এই সাংবাদিক গত পাঁচ বছর ধরে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন এবং তার বৈধ কর্মঅনুমতি ছিল। তিনি তার মার্কিন নাগরিক স্বামীর মাধ্যমে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনও করেছেন এবং আগামী ১৭ মার্চ আইসিই কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সাক্ষাতের সময় নির্ধারিত ছিল। কিন্তু তার আগেই তাকে দ্রুত আটক করা হয়।
তার আইনজীবীর দাবি, ঘটনাস্থলে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেখানো হয়নি শুধু একটি অভিবাসনসংক্রান্ত নথি দেখানো হয়েছিল। রদ্রিগেজের আইনজীবী জানান, আইসিইর এক কর্মকর্তা স্বীকারও করেছিলেন যে গ্রেপ্তারের সময় কোনো পরোয়ানা ছিল না। যদিও পরে আইসিইর আইনজীবীরা দাবি করেন যে তার বিরুদ্ধে একটি বৈধ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল।
একটি আদালতের নথিতে আইসিইর পক্ষের আইনজীবী বলেন, সোমবার রদ্রিগেজের বিরুদ্ধে বৈধ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে থাকার জন্য তার ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। ওই নথিতে আরও বলা হয়, তার গ্রেপ্তার ও আটক “কোনো আইন বা বিধি লঙ্ঘন করেনি।”
আইসিইর মুখপাত্র মেলিসা ইগান ঘটনাটিকে 'লক্ষ্যভিত্তিক আইন প্রয়োগ অভিযান' বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, গ্রেপ্তার ও আটক আইনসম্মতভাবেই করা হয়েছে।
তবে রদ্রিগেজের পরিবার ও তার কর্মস্থলের সহকর্মীরা এই ব্যাখ্যা মানতে রাজি নন।

* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।

বিপি/এসএম

 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি