ভুটানের রাজার কুড়িগ্রামে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক : কুড়িগ্রামে ধরলা পাড়ে বিশেষ ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য প্রস্তাবিত এলাকা পরিদর্শন করে গেলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউজ থেকে বের হয়ে সদরের মাধবরামে যান তিনি।
এর আগে বেলা সাড়ে ১২টার কিছু আগে সৈয়দপুর বিমান বন্দর থেকে সড়ক পথে কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউজে এসে পৌঁছান ভুটানের রাজা। সেখানে দুপুরের খাবার সেরে ধরলার পাড়ে ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত জায়গা পরিদর্শন করেন। ১৫ মিনিট অবস্থানের পর সড়ক পথে জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট স্থলবন্দরের দিকে যাত্রা শুরু করেন। স্থল বন্দরে বিশেষ ইমিগ্রশনের মাধ্যমে ভারত হয়ে নিজ দেশ ভুটানে যাবেন রাজা।
এদিকে রাজার আগমন ঘিরে সকাল থেকেই কুড়িগ্রাম জেলা জুড়ে নেয়া হয়েছিল বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলবাহিনী তৎপর ছিল চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি ছিল আনন্দের। একদিকে আসছেন দেশের রাজা সঙ্গ অর্থনৈতিক জোনের খবর নিয়ে। সব মিলে সড়কের অদূরেও ছিল মানুষের ঢল। যদিও সাধারণ মানুষ রাজার কাছাকাছি আসতে পারেনি।
এদিকে ব্যবসায়ীরা বিষয়টি দেখছেন কুড়িগ্রামের বদলের অন্যতম উদ্যোগ হিসেবে। কুড়িগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আব্দুল আজিজ বলেন, পিছিয়ে পড়া কুড়িগ্রামকে এগিয়ে নিতে চাইলে এ রকম বড় বড় উদ্যোগ নিতে হবে। ধরলার পাড়ে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হলে সড়ক, নদী ও রেল পথের সুবিধা মিলবে। এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে।
সোনাহাট স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তাকারক সমিতির সভাপতি আবু তাহের ফারাজী বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল হলে দুটি স্থলবন্দর, নৌবন্দর সবগুলোতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তখন দেখা যাবে জেলার সকল সম্ভাবনা।
এর আগে গত ১০ মার্চ কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ধরলা সেতুর পূর্বপাড়ে ভোগডাঙা ইউনিয়নের মাধবরাম এলাকায় ‘ভুটানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’ পরিদর্শন করেন ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েনসিল। তারপর স্বয়ং দেশটির রাজা চলে এলেন দেখতে। ২১৯ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হবে জি টু জি ভিত্তিতে এ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। বাংলাদেশ-ভুটান দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে ধরলার পাড়ে গড়ে তোলা হবে জি টু জি ভিত্তিতে এ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, ভুটানের রাজার আগমনে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই আমরা সুষ্ঠুভাবে সকল আয়োজন সম্পন্ন করতে পেরেছি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে জনসভায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। জেলা শহরের পূর্ব প্রান্তে কুড়িগ্রাম-ভূরুঙ্গামারী সড়কের পাশে অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হলে কুড়িগ্রামে অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে।
বিপি/টিআই
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
বাংলাদেশ
ঈদুল আজহায় ১০ জোড়া বিশেষ ট্রেন চলবে, অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু কবে
১৭ ঘন্টা আগে
by বাংলা প্রেস
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি