৭ মে ২০২৬

ভৈরব জেলার দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে ট্রেনে বৃষ্টির মতো পাথর নিক্ষেপ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৫, ০৬:২৫ এএম
ভৈরব জেলার দাবিতে রেলপথ অবরোধ করে ট্রেনে বৃষ্টির মতো পাথর নিক্ষেপ

 


বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ‘জেলা জেলা জেলা চাই ভৈরব জেলা চাই’, ‘ওয়ান টু থ্রি ফোর কিশোরগঞ্জ নো মোর’, ‘ইন্টেরিম সরকার জেলা মোদের দরকার’, ইত্যাদি স্লোগানে উত্তাল ভৈরবের রেলপথ। নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন লাল নিশান টানিয়ে আটকে ভৈরব জেলা ঘোষণার দাবিতে রেলপথ ব্লকেড কর্মসূচি পালন করেছেন ভৈরবের সর্বস্তরের জনতা।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ট্রেন আটকে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় যাত্রী দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে কর্মসূচি শেষ করে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও রেলওয়ে পুলিশ সদস্যরা ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে আসলে উত্তেজিত জনতা পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বৃষ্টির মত পাথর ছুড়তে থাকেন। জনতার ছোড়া পাথরে যাত্রীসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ভৈরবের সর্বস্তরের জনতার ব্লকেড কর্মসূচির কারণে ঢাকাগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভৈরব স্টেশনে দুই ঘণ্টা আটকা পড়ে।


ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ আহম্মেদ বলেন, অবরোধকারীরা ট্রেন থামিয়ে কর্মসূচি পালন করছিলেন। পরে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ছাড়তে চাইলে অবরোধকারীরা অনবরত পাথর ছুড়তে থাকে। এ ঘটনায় ট্রেনের কতজন যাত্রী আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে খোঁজ নেয়া হচ্ছে।

ভৈরব জেলা বাস্তবায়ন আন্দোলনের নেতা সাইফুর রহমান শাহরিয়ার বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন তারা।

এর আগে, গতকাল রোববার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় ভৈরবের দুর্জয় মোড়ে ঢাকা- সিলেট মহাসড়ক ও ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক বন্ধ করে দিয়েছিল একই আন্দোলনকারীরা। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। এ সময় মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন শতাধিক যানবাহনের যাত্রী ও চালক।

আগামীকাল মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ভৈরবের মেঘনা নদীতে নৌপথ অবরোধের কথা জানান অবরোধকারীরা।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি